ঢাকা   সোমবার ২১ অক্টোবর ২০১৯ | ৬ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  আবরার হত্যা: অমিত সাহা ও রাফাত কারাগারে (আইন ও বিচার)        ভিয়েতনামের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর (জাতীয়)        বরিশালে দেওয়া বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন মেনন (রাজনীতি)        ভোলায় পুলিশের সঙ্গে ‘তৌহিদী জনতা’র সংঘর্ষ, নিহত ৪ (জেলার খবর)        খালেদার দেখা চান ঐক্যফ্রন্ট নেতারা (রাজনীতি)        আমরা সবাই যেন সতর্কতার সঙ্গে ব্যবস্থা নিই : সাঈদ খোকন (ঢাকা)        প্রধানমন্ত্রীর কাছে রুশ ভাষায় প্রকাশিত তিনটি বই হস্তান্তর (জাতীয়)        ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলবেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (জাতীয়)        তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ: জয় (জাতীয়)        সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে হাইকোর্টে তলব (আইন ও বিচার)      

আবাহনীর টানা চতুর্থ জয়

Logo Missing
প্রকাশিত: 07:06:26 pm, 2019-03-19 |  দেখা হয়েছে: 1 বার।

আজ ডেক্সঃ শুরুতে ছোবল দিলেন রুবেল হোসেন। আঁটসাঁট বোলিংয়ে মিডল অর্ডারকে ডানা মেলতে দিলেন না স্পিনাররা। হাতের নাগালে থাকল আবাহনীর লক্ষ্য। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে টানলেন ওয়াসিম জাফর। শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবকে হারিয়ে টানা চতুর্থ জয় পেল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের চতুর্থ রাউন্ডের ম্যাচে ৫ উইকেটে জিতেছে আবাহনী। ২০৪ রানের লক্ষ্য ৯ বল বাকি থাকতে পেরিয়ে যায় মোসাদ্দেক হোসেনের দল। তাতে টানা চতুর্থ হারের স্বাদ পায় শাইনপুকুর। ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি শাইনপুকুরের। ৪০ রানের মধ্যে ফিরে যান টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যান। রান আউট হয়ে যান নিউ জিল্যান্ড থেকে ফিরে প্রথমবারের মতো এবারের আসরে খেলতে নামা ওপেনার সাদমান ইসলাম। সাব্বির হোসেন ও উদয় কাউলকে ফিরিয়ে দেন রুবেল। তৌহিদ হৃদয়ের সঙ্গে ৮১ রানের জুটিতে প্রতিরোধ গড়েন আফিফ হোসেন। দ্রুত রান তোলার চেষ্টায় থাকা শাইনপুকুর অধিনায়ককে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন মোসাদ্দেক। ৫৭ বলে ৬ চার ও ২ ছক্কায় ৪৮ রান করে এলবিডব্লিউ হয়ে যান আফিফ। এরপর তেমন কোনো জুটি গড়তে পারেনি শাইনপুকুর। সাবধানী ব্যাটিংয়ে ৭৪ বলে এক চারে ৩৯ রান করা হৃদয়কে থামান নাজমুল ইসলাম অপু। পরের ব্যাটসম্যানরা সেভাবে টানতে পারেননি দলকে। ৪১ রানে ৩ উইকেট নিয়ে আবাহনীর সেরা বোলার মোসাদ্দেক। দুটি করে উইকেট নেন রুবেল ও অপু। রান তাড়ায় সৌম্য সরকারের সঙ্গে ৬২ রানের উদ্বোধনী জুটিতে আবাহনীকে ভালো শুরু এনে দেন ভারতীয় ব্যাটসম্যান জাফর। নিউ জিল্যান্ড থেকে ফিরে প্রথমবারে মতো এবারের আসরে খেলতে নামা সৌম্যকে বোল্ড করে থামান শুভাগত হোম চৌধুরী। বাঁহাতি ওপেনারের ৫৭ বলে খেলা ৩৩ রানের ইনিংস গড়া একটি করে ছক্কা-চারে। নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে ৮৫ রানের আরেকটি পঞ্চাশ ছোঁয়া জুটিতে দলকে এগিয়ে নেন জাফর। ৫২ বলে ৪২ রান করা শান্তকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন শরিফুল ইসলাম। তরুণ এই পেসার পরে ধরেন আরও বড় শিকার। ফিরিয়ে দেন জাফরকে। ভারতীয় অভিজ্ঞ এই ওপেনার ১০৬ বলে চারটি চারে করেন ৭৬ রান। মোসাদ্দেককে বোল্ড করে দ্রুত ফিরিয়ে দেন শরিফুল। রান আউট হয়ে ফিরে যান মোহাম্মদ মিঠুন। মুনিম শাহরিয়ারকে নিয়ে বাকিটা সহজেই সারেন সাব্বির রহমান। দুই চারে ২৩ বলে ২১ রান করেন মুনিম। এক চারে ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন সাব্বির। ৪৪ রানে ৩ উইকেট নেন শাইনপুকুরের বাঁহাতি পেসার শরিফুল। শট খেলা সহজ নয় এমন উইকেটে ৭৬ রানের দায়িত্বশীল ইনিংসের জন্য ম্যাচ সেরার পুরস্কার জেতেন জাফর। সংক্ষিপ্ত স্কোর: শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাব: ৫০ ওভারে ২০৩/৯ (সাদমান ১৬, সাব্বির ১০, উদয় ০, হৃদয় ৩৯, আফিফ ৪৮, শুভাগত ১২, ধীমান ২২, শুভ ২৪*, দেলোয়ার ২, টিপু ৫, শরিফুল ৭*; মাশরাফি ০/১৪, রুবেল ২/২৮, সৌম্য ০/২৭, নাজমুল ২/৪১, সানজামুল ১/৪২, মোসাদ্দেক ৩/৪১, শান্ত ০/১) আবাহনী: ৪৮.৩ ওভারে ২০৬/৫ (জাফর ৭৬, সৌম্য ৩৩, শান্ত ৪২, মিঠুন ১৫, মোসাদ্দেক ২, সাব্বির ১৩*, মুনিম ২১*; দেলোয়ার ০/২৬, শুভাগত ১/২৭, টিপু ০/৩৪, শরিফুল ৩/৪৪, শুভ ০/৪৭, আফিফ ০/১৭, সাব্বির ০/৯) ফল: আবাহনী ৫ উইকেটে জয়ী ম্যান অব দা ম্যাচ: ওয়াসিম জাফর