ঢাকা   ২৪ অগাস্ট ২০১৯ | ৯ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  অবসরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া (বিবিধ)        খুলনা রেলওয়ে থানায় নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, তদন্তে কমিটি (খুলনা)        গাজীপুরে মশার ২৫ টন ওষুধ আমদানি করা হয়েছে: মেয়র জাহাঙ্গীর (জেলার খবর)        ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে দুই হাজারের বেশি ডেঙ্গু রোগী (জাতীয়)        কুষ্টিয়ায় মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন (জেলার খবর)        ফের হাইকোর্ট ওসি মোয়াজ্জেমের জামিন আবেদন (আইন ও বিচার)        আগামী বছর থেকে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করা হবে: কৃষিমন্ত্রী (কৃষি ও প্রকৃতি)        দেশের সব ক্ষেত্রে সমন্বিত উন্নয়ন হচ্ছে: শিল্পমন্ত্রী (জাতীয়)        দুর্নীতির মামলায় নোয়াখালী জেলা জজ আদালতের নাজির গ্রেফতার (জেলার খবর)        খালেদার ২ মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি ১ সেপ্টেম্বর (আইন ও বিচার)      

চীনের ইতিহাস ও উন্নয়ন থেকে অনেক কিছু শেখার আছে: প্রধানমন্ত্রী

Logo Missing
প্রকাশিত: 12:07:44 am, 2019-07-05 |  দেখা হয়েছে: 8 বার।

আজ ডেক্সঃ চীন গত ৭০ বছরে একটি গরিব দেশ থেকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, চীনের ইতিহাস ও উন্নয়ন থেকে অনেক কিছু শিক্ষা নেওয়ার আছে। তিনি বলেন, চীন এখনো অনেক বাধার মুখে রয়েছে। কারণ অনেকে চায় না এ অঞ্চল বা এশিয়ার একটি দেশ বিশ্বের সর্ববৃহৎ অর্থনীতি হোক। গত বুধবার চীনের বেইজিংয়ের লিজেনদালি হোটেলে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে চীন ও ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের যুগপৎ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে আলাপকালে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চীনে প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক সরকারি সফর উপলক্ষে বেইজিংয়ের বাংলাদেশ দূতাবাসের তত্ত্বাবধানে প্রবাসী বাংলাদেশিরা এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সবার সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। জাতির পিতা ব্ঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেওয়া পররাষ্ট্র নীতি অনুসরণের ফলে এখন কারও সঙ্গে বাংলাদেশের বৈরী সম্পর্ক নেই। যে কারণে বাংলাদেশ সামনে এগিয়ে যাচ্ছে এবং বিনিয়োগ পাচ্ছে। সবার সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত বুধবার বলেছেন, কারো সঙ্গে বৈরী সম্পর্ক না থাকায় বাংলাদেশ সামনে এগিয়ে যাচ্ছে এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ পাচ্ছে। শেখ হাসিনা বলেন, যদি স্থিতিশীল সরকার ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ থাকে তাহলে তা বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে পারে। তিনি জানান, তাঁর সরকার দেশে ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করছে। বঙ্গবন্ধু একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে মাত্র সাড়ে তিন বছরে গড়ে তোলার মাধ্যমে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে এগিয়ে নিয়েছিলেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি দেশের উন্নয়ন যাত্রাকে ব্যাহত করে দিয়েছিল। দেশের গত এক দশকের উন্নয়ন নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, এখন দেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৮.১০ শতাংশ এবং তাঁর সরকার ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেট পাস করেছে। স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায়নি এবং দেশকে অচল করে রেখেছিল তারা সরকারের কোনো ভালো জিনিস খুঁজে পায় না। শেখ হাসিনা বলেন, দেশে এখনও একটি শ্রেণি রয়েছে, যারা অন্ধ এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ তাদের পছন্দ না। কারণ তাদের উত্থান গণতান্ত্রিক পরিবেশে নয়, সামরিক বা জরুরি বা অবৈধ শাসনামলে। তারা সর্বদা নিজেদের বিক্রির জন্য প্রস্তুত থাকে, বলেন তিনি। এই শ্রেণির জনগণ ২৯ বছর ক্ষমতায় ছিল উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তারা ২৯ বছরে যা করেনি আমরা ১০ বছরে তা করেছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার চলতি অর্থবছরের জন্য ২ লাখ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে এবং দেশের উন্নয়ন বাজেটের ৯০ শতাংশ নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন হয়। দেশের বাজেটে বিদেশি অনুদান মাত্র ০.৮ শতাংশ, যোগ করেন তিনি। শেখ হাসিনা প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্ভাবনী ধারণা নিয়ে দেশের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. ফজলে করিম। প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ইঞ্জিনিয়ার শামসুল হক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। ডালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বার্ষিক সম্মেলনে যোগদান শেষে গত বুধবার সকালে বেইজিং পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত সোমবার বিকেলে চীনের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন শেখ হাসিনা এবং ৬ জুলাই তাঁর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।