ঢাকা   মঙ্গলবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ২ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  তরঙ্গ মহিলা কল্যাণ সংস্থা,জামালপুরের আয়োজনে পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে সালিশ বিষয়ক প্রশিক্ষন (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে বিচারকদের সাথে আস্থা প্রকল্পের কর্মশালা (জামালপুরের খবর)        বিআরটিসি এসি বাসে কোন অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না-জেলা প্রশাসন (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে বৃক্ষমেলা সমাপ্ত (জামালপুরের খবর)        ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরীর রোগমুক্তি কামনায় মৎস্যজীবী লীগের দোয়া মাহফিল (জামালপুরের খবর)        শেরপুরে শিশু ফোরামের আটটি শাখাকে সম্মাননা প্রদান (জেলার খবর)        শ্রীবরদীতে স্বাক্ষরতা প্রকল্পের উদ্বোধন (জেলার খবর)        রংপুর উপনির্বাচন: সরে দাঁড়ানো ঘোষণা আ. লীগ প্রার্থীর (রাজনীতি)        ছাত্রলীগের কেউ অনিয়ম করলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা: নাহিয়ান (রাজনীতি)        মেট্রোরেলের নিরাপত্তায় পুলিশের আলাদা ইউনিট গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর (জাতীয়)      

পাবনায় ধর্ষণের পর থানায় বিয়ে: ইউনিয়ন আ. লীগ নেতা গ্রেফতার

Logo Missing
প্রকাশিত: 07:13:08 pm, 2019-09-11 |  দেখা হয়েছে: 3 বার।

আ.জা.ডেক্সঃ পাবনায় গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণ এবং থানায় তাদের একজনের সঙ্গে তার বিয়ে দেওয়ার ঘটনার অন্যতম আসামি আওয়ামী লীগ নেতা শরিফুল ইসলাম ঘন্টুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘন্টু দাপুনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তার অফিসেই ওই নারীকে তিন দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। পাবনা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবনে মিজান বলেন, গত মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে টেবুনিয়া খাদ্যগুদাম এলাকা থেকে মামলার অন্যতম আসামি শরিফুল ইসলাম ঘন্টুকে (৩৮) গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই খাদ্যগুদামের পেছনে ঘন্টুর অফিস, যেখানে ওই নারীকে তিন দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয় বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে। ঘন্টুর ওই অফিসে কী কাজ হয় সে বিষয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে কিছু বলতে পারেনি। তবে ঘন্টুর বৈধ কোনো ব্যবসা নেই বলে পুলিশ জানিয়েছে। ঘন্টুর বিরুদ্ধে এলাকায় চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে। তবে এ বিষয়ে পুলিশের কাছে কোনো অভিযোগ আছে কিনা তা তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি পুলিশ কর্মকর্তা এবনে মিজান। এদিকে ডাক্তারি পরীক্ষায় ওই নারীকে ধর্ষণের আলামত মিলেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তা এবনে মিজান বলেন, পাবনা সদর হাসপাতালে মেডিকেল পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। পরে ওই নারীকে তার বাবা-মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তিন সন্তানের জননী ওই নারীর অভিযোগ, প্রতিবেশী রাসেল আহমেদ গত ২৯ অগাস্ট তাকে তার বাড়িতে নিয়ে এক সহযোগীসহ পালা করে ধর্ষণ করে। দুদিন পর তাকে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অফিসে নিয়ে তিন দিন আটকে রাখা হয় এবং সেখানে আরও ৪/৫ জন তাকে পালা করে ধর্ষণ করে। ওই নারী বাড়ি ফিরে স্বজনদের বিষয়টি জানালে ৫ সেপ্টেম্বর তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেই গৃহবধূর নিজেই বাদী হয়ে পাবনা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করলে পুলিশ রাসেলকে আটক করে। কিন্তু মামলা নথিভুক্ত না করে পুলিশ ওই রাতেই রাসেলের সঙ্গে তার বিয়ে দেয়। এ বিষয়ে পুলিশ কর্তৃপক্ষ ওসি ওবাইদুল হককে কারণ দর্শাতে বলেছে। এ ছাড়া ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পরে থানায় মামলা নেওয়া হয়। ঘটনা তদন্তের জন্য তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে পুলিশ।