ঢাকা   সোমবার ২১ অক্টোবর ২০১৯ | ৬ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  আবরার হত্যা: অমিত সাহা ও রাফাত কারাগারে (আইন ও বিচার)        ভিয়েতনামের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর (জাতীয়)        বরিশালে দেওয়া বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন মেনন (রাজনীতি)        ভোলায় পুলিশের সঙ্গে ‘তৌহিদী জনতা’র সংঘর্ষ, নিহত ৪ (জেলার খবর)        খালেদার দেখা চান ঐক্যফ্রন্ট নেতারা (রাজনীতি)        আমরা সবাই যেন সতর্কতার সঙ্গে ব্যবস্থা নিই : সাঈদ খোকন (ঢাকা)        প্রধানমন্ত্রীর কাছে রুশ ভাষায় প্রকাশিত তিনটি বই হস্তান্তর (জাতীয়)        ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলবেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (জাতীয়)        তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ: জয় (জাতীয়)        সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে হাইকোর্টে তলব (আইন ও বিচার)      

জামালপুরে ইদ্রিস এন্ড কোম্পানির মালিকের বিরুদ্ধে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি, নারী নির্যাতন ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ

Logo Missing
প্রকাশিত: 01:40:16 am, 2019-09-18 |  দেখা হয়েছে: 17 বার।

স্টাফ রিপোর্টার: জামালপুর-শেরপুর জেলার বিড়ি ব্যবসায়ী ও ইদ্রিস এন্ড কোম্পানির মালিক ইদ্রিস মিয়ার বিরুদ্ধে জাল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি, নারী নির্যাতন ও মিথ্যা মামলা দিয়ে কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে জামালপুর জেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে ভূক্তভোগী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব অভিযোগ করেন। এ সময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ইদ্রিস এন্ড কোম্পানি প্রাইভেট লি: এর সাবেক ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আব্দুল কাদের। লিখিত অভিযোগে জানান, বিড়ির প্যাকেটে ব্যবহৃত প্রতিটি ব্যান্ডরোল সরকারের কাছ থেকে ৬ টাকা ৮৭ পয়সা মূল্যে কিনে ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু রশিদা বিড়িতে জাল ও বিভিন্ন দোকান থেকে ৫০ পয়সায় পুরাতন ব্যান্ডরোল কিনে তা ব্যবহার করে সরকারের কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে। রাজস্ব ফাঁকির ঘটনায় ইদ্রিস মিয়ার বিরুদ্ধে মামলাও চলমান রয়েছে। এছাড়াও কোম্পানির নারী কর্মীকে যৌন হয়রানি ও নির্যাতন, বিনানোটিশে কোম্পানীতে দীর্ঘদিন কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরিচ্যুত করা এবং চাকুরিচ্যুত ও পদত্যাগীদের বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে প্রতিনিয়ত হয়রানির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। তারা বলেন, কোম্পানীর নয়জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর নামে বিভিন্ন অজুহাতে জামালপুর ও শেরপুর জেলায় ১ থেকে ৮টি মিথ্যা মামলা করা হয়েছে, যাতে করে প্রভিডেন্ট ফান্ডসহ পাওনাদি পরিশোধ করতে না হয়। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে হয়রানির শিকার ভূক্তভোগী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

Image Not Found!
Image Not Found!
Image Not Found!
Image Not Found!
Image Not Found!