ঢাকা   রবিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২০ | ১৩ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  ৩য় জামালপুর জেলা রোভার মুটের শুভ উদ্বোধন (জামালপুরের খবর)        বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচারের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ অভিশাপ মুক্ত হয়েছে -তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান এমপি (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে সাংবাদিকদের সাথে বিজিবির মতবিনিময় (জামালপুরের খবর)        শুধু পাঠ্য বই নয় শিশুর মেধা বিকাশে সহায়তা করতে হবে -ড. আতিউর রহমান (জামালপুরের খবর)        গারো পাহাড়বাসী বন্য হাতি আতঙ্কে রাত কাটে নির্ঘুম : ৫০ টর্চলাইট ৩টি জেনারেটর বিতরণ (জামালপুরের খবর)        বঙ্গবন্ধু ও বাঙ্গালীর হাজার বছরের ইতিহাসে আমাদের আত্মপরিচয় -ড. আতিউর রহমান (জামালপুরের খবর)        জামালপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটালের অধ্যক্ষকে সংবর্ধনা (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন জ্ঞান শিক্ষা বিনোদন সংগঠনের উদ্যোগে শীত বস্ত্র বিতরণ (জামালপুরের খবর)        জামালপুর জিলা স্কুলের ক্যাবিনেট নির্বাচন অনুষ্ঠিত (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে মৎস্যজীবী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত (জামালপুরের খবর)      

কলেজের শিক্ষকরা একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত

Logo Missing
প্রকাশিত: 01:49:22 am, 2019-09-18 |  দেখা হয়েছে: 10 বার।

নকলা সংবাদদাতা: শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার চন্দ্রকোনা কলেজের অধ্যক্ষের অনিয়মের সুযোগে নিয়োগকৃত শিক্ষকরা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছে। জানা গেছে, অধ্যক্ষ তার নিজের নিয়োগে পদত্যাগকৃত পূর্ব পদের প্রায় ১৪ মাস বেতন উত্তোলন করেন। যা শিক্ষানীতি বর্হিভুত। এ কলেজের ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক মাহবুব হোসাইন রূপম বানেশ^র্দী দাখিল মাদ্রাসায়, ইসলাম শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক তারিকুজ্জামান চকবড়ইগাছি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক, ব্যবস্থাপনা বিষয়ের শিক্ষক অমিত কুমার দেব বাছুর আলগা দক্ষিণ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, যুক্তিবিদ্যা বিষয়ের শিক্ষক শিরিন আক্তার জামালপুর সদর উপজেলার একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন। একইরূপ ভাবে মতিয়র রহমান, জেবউন নেছা একাধিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। যা সরকারী নিয়ম বহির্ভূত। স্টাফ প্যার্টান অতিরিক্ত একজন বাংলা শিক্ষক ও একজন প্রদর্শক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। একই সাথে তাঁরা একাধিক প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন-ভাতা উত্তোলন করে যাচ্ছে। শিক্ষক রূপম ও তারিকুজ্জামান এর সাথে যোগাযোগ করা হলে মাদ্রাসা শিক্ষক রূপম জানায়, ফাঁকে ফাঁকে কলেজের দু’একটি ক্লাস নিই। কিন্তু তারিকুজ্জামান বলেন, এমন বহু প্রতিষ্ঠানে আমরা নাম দেয়া আছে। অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলামের সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি জানান, আমি নিয়োগকৃত শিক্ষকদের বেতন দিতে পারি না। নামে মাত্র ভাতা প্রদান করে থাকি। তারা মাঝে মাঝে আমাকে ক্লাস কর্মসূচীতে সহযোগীতা করে থাকে। এসকল বিষয়ে শেরপুর জেলা প্রশাসক ও উপপরিচালক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা ময়মনসিংহ জোন অফিসে সদ্য বরখাস্ত শিক্ষক রহুল আমিন অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিষয় গুলো নিয়ে শিক্ষা দপ্তরের কর্মকর্তাদের খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করেন এলাকার নানা মহলের মানুষ।