ঢাকা   ১১ জুলাই ২০২০ | ২৭ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  বন্যা ও করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করেই জেলার চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের কাজগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে- আবুল কালাম আজাদ (জামালপুরের খবর)        সরিষাবাড়ীতে দুই বৎসর পর হত্যা রহস্য উদঘাটন করল সিআইডি (জামালপুরের খবর)        জামালপুরের বন্যা পরিস্থিতি: নিম্নাঞ্চলে কমছে ধীর গতিতে (জামালপুরের খবর)        অবহেলিত ঘোড়াধাপের রাস্তা-ঘাট সংস্কার করলেন আনছার আলী (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে এক শিশু নারায়গঞ্জ ফেরত এক ব্যক্তিসহ ৭ জনের করোনা শনাক্ত , আক্রান্ত ৬৪৯ (জামালপুরের খবর)        শেরপুরে ঐতিহাসিক কাটাখালি যুদ্ধ দিবসে শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ (জেলার খবর)        শিগগিরই গ্রেফতার হবে রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ: র‌্যাব (জাতীয়)        ভার্চুয়াল আদালত পরিচালনায় সংসদে বিল পাস (জাতীয়)        করোনা নিয়ে প্রতারণা ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে: কাদের (জাতীয়)        আরও ৩৪৮৯ জন করোনায় আক্রান্ত, মৃত্যু ৪৬ জনের (জাতীয়)      

কলেজের শিক্ষকরা একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত

Logo Missing
প্রকাশিত: 01:49:22 am, 2019-09-18 |  দেখা হয়েছে: 1 বার।

নকলা সংবাদদাতা: শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার চন্দ্রকোনা কলেজের অধ্যক্ষের অনিয়মের সুযোগে নিয়োগকৃত শিক্ষকরা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছে। জানা গেছে, অধ্যক্ষ তার নিজের নিয়োগে পদত্যাগকৃত পূর্ব পদের প্রায় ১৪ মাস বেতন উত্তোলন করেন। যা শিক্ষানীতি বর্হিভুত। এ কলেজের ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক মাহবুব হোসাইন রূপম বানেশ^র্দী দাখিল মাদ্রাসায়, ইসলাম শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক তারিকুজ্জামান চকবড়ইগাছি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক, ব্যবস্থাপনা বিষয়ের শিক্ষক অমিত কুমার দেব বাছুর আলগা দক্ষিণ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, যুক্তিবিদ্যা বিষয়ের শিক্ষক শিরিন আক্তার জামালপুর সদর উপজেলার একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন। একইরূপ ভাবে মতিয়র রহমান, জেবউন নেছা একাধিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। যা সরকারী নিয়ম বহির্ভূত। স্টাফ প্যার্টান অতিরিক্ত একজন বাংলা শিক্ষক ও একজন প্রদর্শক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। একই সাথে তাঁরা একাধিক প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন-ভাতা উত্তোলন করে যাচ্ছে। শিক্ষক রূপম ও তারিকুজ্জামান এর সাথে যোগাযোগ করা হলে মাদ্রাসা শিক্ষক রূপম জানায়, ফাঁকে ফাঁকে কলেজের দু’একটি ক্লাস নিই। কিন্তু তারিকুজ্জামান বলেন, এমন বহু প্রতিষ্ঠানে আমরা নাম দেয়া আছে। অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলামের সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি জানান, আমি নিয়োগকৃত শিক্ষকদের বেতন দিতে পারি না। নামে মাত্র ভাতা প্রদান করে থাকি। তারা মাঝে মাঝে আমাকে ক্লাস কর্মসূচীতে সহযোগীতা করে থাকে। এসকল বিষয়ে শেরপুর জেলা প্রশাসক ও উপপরিচালক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা ময়মনসিংহ জোন অফিসে সদ্য বরখাস্ত শিক্ষক রহুল আমিন অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিষয় গুলো নিয়ে শিক্ষা দপ্তরের কর্মকর্তাদের খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করেন এলাকার নানা মহলের মানুষ।