ঢাকা   মঙ্গলবার ১২ নভেম্বর ২০১৯ | ২৮ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  বেসরকারি খাতে চলাচলকারী ট্রেনগুলোর আয় বাড়লেও কমেছে রেলের আয় (জাতীয়)        প্রশাসনেও শুদ্ধি অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার (জাতীয়)        সিরিজে অধিনায়কের চোখে প্রাপ্তি (ক্রিকেট)        হারের কারণ জানা থাকলেও সমাধান অজানা (ক্রিকেট)        রুবেলের ৭ উইকেট ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে (ক্রিকেট)        ন্যাটোতে রুশ অস্ত্রের কোনো ঠাঁই নেই: ট্রাম্প (আন্তর্জাতিক)        ইরাকে সরকার বিরোধী বিক্ষোভে ১ মাসে নিহত ৩১৯ (আন্তর্জাতিক)        স্পেনের সাধারণ নির্বাচনে ফের জয়ী ক্ষমতাসীন সোশ্যালিস্ট পার্টি (আন্তর্জাতিক)        বাবরি মসজিদের রায় : জমি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ২৬ নভেম্বর (আন্তর্জাতিক)        বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করলেন বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট (আন্তর্জাতিক)      

শিশু অধিকার ফোরাম-এএসডি’র তথ্য প্রকাশ; ছয় মাসে ধর্ষণের শিকার ৪৯৬ শিশু

Logo Missing
প্রকাশিত: 12:42:56 pm, 2019-10-07 |  দেখা হয়েছে: 6 বার।

ঢাকা ডেক্স:

আজ সোমবার বিশ্ব শিশু দিবস। প্রতিবছর অক্টোবরের প্রথম সোমবার বিশ্ব শিশু দিবস পালন করা হয়। এ উপলক্ষে অ্যাকশন ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (এএসডি) ও বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরামের উদ্যোগে যৌথভাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন থেকে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ৪শ ৯৬টি শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। আর ২০১৮ সালে পুরো একবছরে ধর্ষণের শিকার হয় ৫শ ৭১টি শিশু। গত বছরের তুলনায় চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে দেশে শিশু ধর্ষণ বেড়েছে ৪১ শতাংশ, যা আশঙ্কাজনক। শিশু হত্যা, ধর্ষণ ও গৃহকর্মী শিশুর ওপর অত্যাচার বেড়েই চলছে। বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ উপলক্ষে গতকাল রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ‘শিশু অধিকার ও বর্তমান পরিস্থিতি’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন এএসডির ডিসিএইচআর প্রজেক্টের ব্যবস্থাপক ইউকেএম ফারহানা সুলতানা। এ ছাড়া এএসডি নির্বাহী পরিচালক জামিল এইচ চৌধুরী, শিশু অধিকার ফোরামের পরিচালক আবদুছ সহিদ মাহমুদ, এএসডি’র কর্মকর্তা লুৎফুন নাহার কান্তা সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, নির্যাতন করার পরও অপরাধিদের আইনের আওতায় না আনার কারণেই শিশু ধর্ষণের ঘটনা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। একের পর এক শিশু ধর্ষণের মত পৈশাচিক ঘটনা ঘটছে। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আইনের যথাযথ প্রয়োগ না হওয়া, আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হলেও আইনের ফাঁক-ফোকর থাকা, বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ায় অপরাধীরা জামিন নিয়ে বেরিয়ে পড়ে। সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, অনেক ক্ষেত্রে ধর্ষণের ঘটনা যখন ঘটে তখন শিশুর অভিভাবকরা সম্মান হারানোর ভয়ে এবং প্রভাবশালীদের চাপে পড়ে মামলা করে না। কোন কোন ক্ষেত্রে দরিদ্র অভিভাবকের পক্ষে দীর্ঘদিন মামলা চালিয়ে নেওয়াও সম্ভব হয় না। সামগ্রিক কারণে সমাজে শিশু ধর্ষণের ঘটনা বেড়েই চলেছে। অনুষ্ঠানে বলা হয়, দেশে ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে নিয়োজিত শিশুর সংখ্যা ১.২৮ মিলিয়ন। বিভিন্ন গবেষণা হতে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশে মোট গৃহকর্মীর সংখ্যা ২ মিলিয়ন। এর মধ্যে চার লক্ষ বিশ হাজার শিশু গৃহকাজে জড়িত যার ৮৩ শতাংশই মেয়ে শিশু।