ঢাকা   ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯ | ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  সাইসেন্স ল্যাবরেটরী প্রি-ক্যাডেট এন্ড হাই স্কুলের শুভ উদ্বোধন (জামালপুরের খবর)        সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা ইয়াছমিনের সাথে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিবারের মত বিনিময় (জামালপুরের খবর)        এক দুয়োরাণীর বিয়ে ঢাক ডোল দিয়ে (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে শিশু কল্যাণ কমিটির সভা (জামালপুরের খবর)        সরিষাবাড়ী বর্ণাঢ্য শুভাযাত্রায় হানাদারমুক্ত দিবস উৎযাপন (জামালপুরের খবর)        মাদারগঞ্জে আমন ধান ক্রয়ে কৃষকের মাঝে লটারী অনুষ্ঠিত (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে বাঁশচড়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবন অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে গাড়িতে অগ্নি সংযোগ এর ঘটনায় জড়িতেদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন, স্বারকলিপি প্রদান (জামালপুরের খবর)        দিনাজপুরে একসঙ্গে ৪০ এতিম যুবক-যুবতীর বিয়ে (জেলার খবর)        সরকার আবার আগুন নিয়ে খেলা শুরু করেছে: রিজভী (রাজনীতি)      

দু-একদিনের মধ্যে কার্গো বিমানে করে পেঁয়াজ পৌঁছবে: প্রধানমন্ত্রী

Logo Missing
প্রকাশিত: 02:04:16 am, 2019-11-17 |  দেখা হয়েছে: 11 বার।

আ.জা. ডেক্স:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রনে কার্গো বিমানে করে পেঁয়াজ আমদানীর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী দু-একদিনের মধ্যে বিমানে পেঁয়াজ এসে পৌঁছবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজে মূল্য বৃদ্ধির এই সমস্যা যাতে না থাকে সে লক্ষে কার্গো ভাড়া করে আমরা পেঁয়াজ আনা শুরু করেছি। আগামী কাল-পরশুর মধ্যেই এই বিমানের পেঁয়াজ এসে পৌঁছাবে। প্রধানমন্ত্রী গতকাল শনিবার সকালে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের তৃতীয় ত্রিবার্ষিক জাতীয় কাউন্সিলের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন। পেঁয়াজের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির পেছনে কোন ষড়যন্ত্র থাকলে সরকার তা খতিয়ে দেখবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পেঁয়াজ নিয়ে যে সমস্যাটা দেখা দিয়েছে, সব দেশেই পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে এটা ঠিক। কিন্তু আমাদের দেশে কি কারণে এত লাফিয়ে লাফিয়ে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে, জানিনা। তিনি বলেন, আমরা দেখতে চাই যে, এই ধরণের চক্রান্তের সঙ্গে কেউ জড়িত রয়েছে কি না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেউ যদি এখন পেঁয়াজ মজুদ করে দাম বাড়িয়ে দুটাকা কামাতে চান, তাদের এটাও চিন্তা করতে হবে- পেঁয়াজতো পঁচেও যাবে। সেই পঁচা পেঁয়াজও এখন শুকানোর চেষ্টা হচ্ছে। তবে, মানুষকে কষ্ট দেওয়াটা কেন? তিনি ব্যক্তি ও গোষ্ঠী স্বার্থে দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত লিপ্ত একটি স্বার্থন্বেষী মহলের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, মানুষ যখন ভাল থাকে, সুস্থ থাকে। তখন একটি শ্রেনী আছে তারা মনকষ্টে ভোগে, অসুস্থতায় ভোগে। তাদের এই রোগ কিভাবে সারানো যায় সেটা জনগণই বিবেচনা করবে, তারা দেখবে। শেখ হাসিনা বলেন, যতই আমরা এগিয়ে যাই এবং মানুষ যত ভাল থাকে। একটা না একটা ইস্যু তৈরী করার এবং মানুষকে বিভ্রান্ত করার একটা চেষ্টা করা হয়। কাজেই এর পেছনে মূল কারণটা কি সেটা আমাদের খুঁজে বের করতে হবে।

আওয়ামী লীগের সহযোগী এই সংগঠনটির সম্মেলনে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন। সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্মল গুহের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং আওয়ামী লীগের সাংগঠসিক সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী মেজবাহুল হোসেন সাচ্চু বক্তৃতা করেন। সংগঠনের সহ-সভাপতি এবং সম্মেলন অভ্যর্থনা উপ-কমিটির আহবায়ক মতিউর রহমান মতি স্বাগত বক্তৃতা করেন।

এরআগে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে কাউন্সিলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপরই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। বক্তৃতা পর্বের শুরুতে শোক প্রস্তাব পাঠ করেন সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক সালেহ মো. টুটুল। এরপরই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু, জাতীয় চারনেতা, মুক্তিযুদ্ধের সকল শহিদ, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ ১৫ আগষ্টের সকল শহিদ, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় শহিদ এবং দেশের সকল গণ আন্দোলনের শহিদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্ব শেষে বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠেয় দ্বিতীয় পর্বে সংগঠনের নতুন নেতৃত্ব ঠিক করা হবে। গত ১১ নভেম্বর ঢাকা দক্ষিণ এবং ১২ নভেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে, এখনও কোনো কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হয়নি। গতকাল শনিবার সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ওই দু’টি কমিটির শীর্ষ চারটি পদে কারা নেতৃত্বে আসছেন সে ঘোষণা আসবে। ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সর্বশেষ কাউন্সিল ২০১২ সালে অনুষ্ঠিত হয়। এর সাত বছর পর অনুষ্ঠিত হলো তৃতীয় সম্মেলন।

সম্মেলন আয়োজন কমিটি সূত্র জানায়, সম্মেলনে ১৯৭৫ জন কাউন্সিলর এবং প্রায় ১৮ হাজার ডেলিগেট অংশগ্রহণ করছেন। এছাড়াও অতিথি হিসেবে আছেন প্রায় ১৫ হাজার। তৃতীয় সম্মেলন ঘিরে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে অন্যরকম আমেজ পরিলক্ষিত হয়েছে। জাতীয় সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড হাতে স্লোগান সহযোগে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে মিছিল করে হাজারো নেতা-কর্মীদের সম্মেলন স্থলে আসতে দেখা যায়। প্রধানমন্ত্রী আসার আগেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে সম্মেলনস্থল।

প্রধানমন্ত্রী পেঁয়াজ সম্পর্কে আরো বলেন, ভারতেও এখন পেঁয়াজের মূল্য অনেক। প্রায় একশ রুপি কেজি দরে সেখানে তারা পেঁয়াজ কিনছে। শুধু একটা রাজ্যে দাম কম। তবে, সেখানকার পেঁয়াজ বাইরে যেতে দেওয়া হয় না। সর্বিকভাবে সবখানেই পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেখান থেকে আমরা পেঁয়াজ কিনছি। সেখান থেকেও বেশি দামেই আমাদের পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে। ইতোপূর্বে বৃহস্পতিবার শেখ হাসিনা একাদশ জাতীয় সংসদের পঞ্চম অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে মিশর, তুরস্কসহ কয়েকটি দেশ থেকে সরকারের ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানীর তথ্য জানান এবং এই পেঁয়াজ টিসিাবি’র মাধ্যমে বিভিন্ন জেলায় জেলায় বিতরণের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

সরকারের ধারবাহিকতা এবং দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকায় তাঁর সরকার বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে উন্নয়নের সুফল তৃণমূল পর্যায়ের প্রত্যেক ঘরে পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী এ সময় দেশ বিরোধী স্বার্থান্বেষী মহলের বিভিন্ন অপপ্রচার সম্পর্কে দেশবাসীকে সতর্ক করে দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এদেশ দারিদ্র্যমুক্ত হলে এই দারিদ্র্য বিক্রি করে যারা চলতো তাদের আঁতে ঘা লাগে। কাজেই তারা বারবারই এতে একটা বাগড়া দেয়ার এবং অপপ্রচার চালাবার চেষ্টা করে। কেউ যেন এই অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হন। তিনি বলেন, সরকার গঠনের পর থেকে আওয়ামী লীগ জনগণকে যে সেবাটা দিচ্ছে তা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে এবং মানুষের মাঝে আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি করতে হবে। সেইসঙ্গে উন্নয়নের গতিধারাটা অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি এ সময় সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ,মাদক এবং দুর্নীতি বিরোধী সরকারের কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, আমরা এই দেশ থেকে মাদক, সন্ত্রাস, দুর্নীতি দূর করতে চাই। তিনি বলেন, এর বিরুদ্ধে যে অভিযান চলছে তা আমরা অব্যাহত রাখবো। কারণ বাংলাদেশের মানুষের জীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। আর একটা শান্তিপূর্ণ পরিবেশ থাকলেই উন্নতিটা সম্ভব। দুর্নীতি করে টাকা কেন বানাতে হবে, সেই প্রশ্ন উত্থাপন করে তিনি বলেন, সন্ত্রাসি কর্মকান্ড, চাঁদাবাজি, দুর্নীতির মাধ্যমে অসৎ উপায়ে অর্থ উপার্জন করে সেটা দিয়ে আবার বিলাস-ব্যসনে জীবন যাপন করা, আর ওটা দিয়ে ফুটানি-ফাটানি করা- এটা কখনো এদেশের মানুষ বরদাশত করবে না।

শেখ হাসিনা বলেন, অসৎ পথে উপার্জিত অর্থ দিয়ে বিরানী খাওয়ার থেকে সৎপথে নূন ভাত খাওয়া অনেক সম্মানের, অনেক মর্যাদার এবং অনেক ভালো। এটাই হলো বাস্তবতা। তিনি এ সময় উদাহারন দেন- বিএনপি দুর্নীতি করে এতটাকা কামিয়েছিল যে, জয়কে (তাঁর পুত্র এবং তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয়) আমেরিকায় অপহরণ করে হত্যার উদ্দেশ্যে এফবিআই’র একজন এজেন্টকে পর্যন্ত তারা কিনে ফেলে এবং তারা তাঁর (শেখ হাসিনার) পরিবারের অর্থ-সম্পদ বিষয়ে খোঁজ-খবর করাও শুরু করে। সেই তদন্ত করতে গিয়ে বের হয়ে এল খালেদা জিয়া এবং তার দুই পুত্রের দুর্নীতির তথ্য। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এফবিআই’র তদন্তেই বের হলো- একমাত্র বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, তাঁর ছেলে এবং বোন (শেখ রেহানা)- তাঁদের বিষয়ে কোথাও কোনরকম কমিশন খাওয়া, চাঁদা খাওয়া বা দুর্নীতির কোন দৃষ্টান্ত তারা পায় নাই। এমনকি এ সম্পর্কিত আমেরিকার সংশ্লিষ্ট আদালতের মামলায় এই ঘটনায় সম্পৃক্ত অভিযোগে বিএনপি’র দুই নেতার নাম পর্যন্ত চলে এসেছিল, বলেন তিনি। বিএনপিকে খুনী, দুর্নীতিবাজ, মানি লন্ডারিংকারীদের দল আখ্যায়িত করে আওয়ামী লীগ সভাপতি দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এরা আর কোনদিন যেন বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসতে না পারে সে বিষয়ে বাংলাদেশের জনগণকে সচেতন করতে হবে।

তিনি বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে আরো বলেন, এরা এল (ক্ষমতায়) মানেই বাংলাদেশের দুর্ভোগ। এরা ক্ষমতায় থাকা মানেই দেশকে একেবারে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাওয়া। আবার জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাস শুরু হওয়া। তারা আবার বাংলা ভাই সৃষ্টি করবে, কারণ তারা নিজেরাই সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাদে লিপ্ত। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং তাঁর সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের নাম উল্লেখ করে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের অনেক দায়িত্ব এ দেশের প্রতি। এ দেশের জনগনের প্রতি। কারণ জাতির পিতা এদেশের মানুষের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করে গেছেন। কাজেই দেশের মানুষের সেবা কতটুকু করা যায়, সেভাবেই আমাদেরও চিন্তা করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একজন রাজনীতিকের জীবনে কি পেলাম, কি পেলাম না সেটা বড় কথা নয়। কতটুকু মানুষের জন্য করতে পারলাম, সেটাই বড় কথা। তিনি বলেন, কতটুকু মানুষকে দিতে পারলাম সে চিন্তা ও আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করলে এই রাজনীতির কখনো মুত্যু হয় না, ধ্বংস হয় না। ‘আইয়ুব খান, জিয়া, এরশাদ, খালেদা জিয়া বারবার আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে, উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা সফলতা পায়নি। কারণ এই সংগঠনের শিকড় এই বাংলাদেশের মাটিতে গেঁড়ে আছে। কেউ পেছনে পড়ে থাকবে না- এই নীতি নিয়েই আওয়ামী লীগ সরকার পরিচালনা করছে উল্লেখ করে দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা তাঁর সরকারের শাসনে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের খন্ডচিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, গ্রামের প্রত্যেকের বাড়িকে এক একটি কৃষি খামার হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য সরকার ‘আমার বাড়ি আমার খামার’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারের প্রি-প্রাইমারী থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে পাঠ্য পুস্তক বিতরণ এবং প্রাইমারী থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত ২ কোটি ৩ লাখ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি উপবৃত্তি প্রদানের তথ্য তুলে ধরে বলেন, আমাদের স্বাক্ষরতার হার এখন ৭৩ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। সারাদেশে ইউনিযন স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে ৩০ প্রকারের ওষুধ বিনামূল্যে প্রদান এবং টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে মাতৃ ও শিশু মুত্যু হার রোধ, পরিষ্কার-পরিচ্ছনা এবং পুষ্টিকর খাবারের প্রতি জনসচেতনতা সৃষ্টিতে সরকারের সাফল্য ও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের প্রত্যেকটি অঞ্চলে নারী-পুরুষ সমানভাবে উন্নয়নের সুফল পাচ্ছে কারণ আওয়ামী লীগ যে নীতিমালা নিয়েছে, ৭ গুণ বাজেট বৃদ্ধির মাধ্যমে যে অর্থনীতি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে তাতে সমগ্র দেশ আজকে এগিয়ে যাচ্ছে। জাতির পিতা যে লক্ষ্য নিয়ে একদিন এদেশ স্বাধীন করেছিলেন সেই স্বাধীনতার সুফলকে বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যেক ঘরে পৌঁছে দেয়াই তাঁর এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের লক্ষ্য বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।