ঢাকা   ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০ | ৭ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  সরিষাবাড়ীতে গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত (জামালপুরের খবর)        বকশিগঞ্জ শিক্ষার্থীবিহীন দুস্থ্য প্রতিবন্ধী কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র : ৯ প্রতিবন্ধীর শিক্ষাবৃত্তি (জামালপুরের খবর)        শেরপুরে আখেরী মুনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বিশ্ব জাকের মঞ্জিলের উরশ (জেলার খবর)        শ্রীবরদীতে বৈদেশিক কর্মসংস্থান সচেতনতা শীর্ষক প্রচার, প্রেস ব্রিফিং ও সেমিনার অনুষ্ঠিত (জেলার খবর)        একনেকে ১৩ হাজার ৬৩৯ কোটি ব্যয়ে ৯ প্রকল্প অনুমোদন (জাতীয়)        পানির দাম ৮০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব অযৌক্তিক: টিআইবি (জাতীয়)        চীনকে মাস্ক-গ্লাভসসহ চিকিৎসা সামগ্রী দিল বাংলাদেশ (জাতীয়)        কচুরিপানা খেতে বলিনি, গবেষণা করতে বলেছি: পরিকল্পনামন্ত্রী (জাতীয়)        দেশে করোনা ভাইরাসের রোগী মেলেনি, আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ (জাতীয়)        শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ দ্বিতীয়: সেনাপ্রধান (জাতীয়)      

চট্টগ্রাম নগরীর ৮৫% বাসে ধূমপান চলে: জরিপ

Logo Missing
প্রকাশিত: 11:30:32 pm, 2019-12-14 |  দেখা হয়েছে: 1 বার।

আ.জা.ডেক্সঃ

চট্টগ্রাম নগরীতে চলাচলকারী বাসগুলোর ৮৫ শতাংশে ধূমপান হয় বলে একটি বেসরকারি সংস্থার জরিপে প্রকাশ পেয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই জরিপের ফল প্রকাশ করা হয়। ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশন (ইপসা) চট্টগ্রাম শহরের তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রতিপালনের অবস্থা শীর্ষক এই জরিপ পরিচালনা করে। এতে সহযোগিতা করে ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিড্স। চট্টগ্রাম নগরীর পাবলিক বাস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি অফিস, স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং রেস্টুরেন্টে চলতি বছরের জুন থেকে তিন মাসব্যাপী এ জরিপ চালানো হয়। জরিপের ফলাফল তুলে ধরে ইপসার উপ-পরিচালক নাসিমা বানু বলেন, চট্টগ্রাম শহরে চলাচলকারী ৪১৯টি সিটি বাসে জরিপ চালানো হয়। এর মধ্যে ৮৫ শতাংশ বাসে ধূমপান করতে দেখা গেছে।

১০০ শতাংশ বাসে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘনের চিত্র পাওয়া গেছে। কোনো বাসেই তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন অনুসারে সর্তকতামূলক কোনো নোটিস পাওয়া যায়নি। বাসে ধূমপানকারীদের মধ্যে ৯৮ শতাংশই চালক ও সহকারী, বাকি দুই শতাংশ যাত্রী। পাশাপাশি চট্টগ্রামের ২৮২টি সরকারি অফিসের মধ্যে ৫৪ শতাংশে, ৪২৩ টি রেস্টুরেন্টের মধ্যে ৫০ শতাংশে, ১২৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪১ শতাংশে এবং ১৮৭টি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের মধ্যে ৩৪ শতাংশে ধূমপানের নির্দশন পাওয়া গেছে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়। ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন (সংশোধিত ২০১৩) এর ৪ ধারা অনুসারে পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপান নিষিদ্ধ। নাসিমা বানু বলেন, পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে সর্তকতা নোটিস দেওয়া বাধ্যতামূলক। ধূমপানমুক্ত রাখার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হচ্ছেন প্রতিষ্ঠান বা পরিবহনের মালিক, তত্ত্বাবধায়ক ও ব্যবস্থাপক। প্রায় শতভাগ পাবলিক বাস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ৯৯ শতাংশ সরকারি অফিস ও রেস্টুরেন্ট এবং ৯৭ শতাংশ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের এসব ধারার লঙ্ঘন দেখা গেছে। ইপসার প্রধান নির্বাহী আরিফুর রহমান, ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডসের আবদুস সালাম মিয়া, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ওমর কায়সার, আলমগীর সবুজ ও লতিফা আনসারী রুনা।