ঢাকা   ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০ | ১৪ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  ৭ মার্চ জাতীয় দিবস ঘোষণার নির্দেশ হাইকোর্টের (জাতীয়)        অনৈতিক সম্পর্কে বাধ্য করানোয় স্বামীকে হত্যা করে প্রতিশোধ (অপরাধ)        প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই পাপিয়া গ্রেফতার: ওবায়দুল কাদের (অপরাধ)        প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন ১৭২ শিক্ষার্থী (শিক্ষা)        পিলখানা ট্র্যাজেডি: নিহতদের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা (জাতীয়)        বিরোধী দলকে হয়রানি ও ক্ষমতাসীনদের প্রতি নমনীয় দুদক: টিআইবি (বাংলাদেশ)        নিরাপদ খাদ্য আইন মেনে চলতে সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি (বাংলাদেশ)        এনু-রুপনের আরেক বাড়িতে অভিযান, পাঁচ সিন্দুক থেকে ২৬ কোটি টাকা উদ্ধার (জাতীয়)        পিলখানা হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত করবে বিএনপি: ফখরুল (রাজনীতি)        জ্বর নিয়ে বাংলাদেশে এসে হাসপাতালে দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক (জাতীয়)      

দেশব্যাপী শিশুদের খাওয়ানো হলো ভিটামিন এ ক্যাপসুল

Logo Missing
প্রকাশিত: 02:20:11 am, 2020-01-12 |  দেখা হয়েছে: 3 বার।

আ.জা. ডেক্স:

দেশব্যাপী শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে গতকাল শনিবার । ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী দুই কোটি ১০ লাখ শিশু এর আওতাভুক্ত। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি করে নীল রঙের ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি করে লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলে। গত ৯ জানুয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল ক্যাম্পেইনের ঘোষণা দিয়ে বলেন, স্বাধীনতার পরপর রাতকানা রোগে আক্রান্তের হার ছিল ৪ শতাংশের ওপরে। এখন সেটা এক শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে।

তিনি জানান, ভিটামিন এ ক্যাপসুলের ফলে শিশুরা রাতকানা রোগ থেকে রক্ষা পায়। তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। ডায়রিয়া, আমাশয়, কলেরা ও নিউমোনিয়াসহ অন্যান্য রোগের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। জাহিদ মালেক বলেন, ক্যাপসুল খাওয়ানো ক্যাম্পেইনে দেশেজুড়ে এক লাখ ২০ হাজার কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। বিভিন্ন ক্লিনিক, বাসস্ট্যান্ড, রেলওয়ে স্টেশন, লঞ্চঘাট যেখানে লোকজনের আনাগোনা বেশি, সেখানে ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। তবে ক্যাপসুল খাওয়ানোর সময় লক্ষ রাখতে হবে, তাদের যেন পেট ভরা থাকে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) ক্যাম্পেইন শুরু হয় সকাল ১০টায়।

ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল হাই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করে যথাযথভাবে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। ডিএনসিসিতে এক হাজার ৪৯৯টি কেন্দ্রের মধ্যে স্থায়ী ৪৯টি এবং অস্থায়ী এক হাজার ৪৫০টি ক্যাম্পে দুই হাজার ৯৯৮ জন স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবী কাজ করছেন। এই সিটিতে মোট পাঁচ লাখ ৮০ হাজার ১৯০ জন শিশুকে ভিটামিন এ খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। একইভাবে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী তিন লাখ ৪৮ হাজার ৭০৪ জন শিশুকে লাল রঙের ক্যাপসুল এবং ছয় থেকে ১১ মাস বয়সী ৫৫ হাজার ৯৫৫ জন শিশুকে নীল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খওয়ানো হয়। তবে বিশ্ব ইজতেমার জন্য গাজীপুরে ১১ জানুয়ারির পরিবর্তে ২৫ জানুয়ারি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।