ঢাকা   ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০ | ১৪ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  ৭ মার্চ জাতীয় দিবস ঘোষণার নির্দেশ হাইকোর্টের (জাতীয়)        অনৈতিক সম্পর্কে বাধ্য করানোয় স্বামীকে হত্যা করে প্রতিশোধ (অপরাধ)        প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই পাপিয়া গ্রেফতার: ওবায়দুল কাদের (অপরাধ)        প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন ১৭২ শিক্ষার্থী (শিক্ষা)        পিলখানা ট্র্যাজেডি: নিহতদের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা (জাতীয়)        বিরোধী দলকে হয়রানি ও ক্ষমতাসীনদের প্রতি নমনীয় দুদক: টিআইবি (বাংলাদেশ)        নিরাপদ খাদ্য আইন মেনে চলতে সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি (বাংলাদেশ)        এনু-রুপনের আরেক বাড়িতে অভিযান, পাঁচ সিন্দুক থেকে ২৬ কোটি টাকা উদ্ধার (জাতীয়)        পিলখানা হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত করবে বিএনপি: ফখরুল (রাজনীতি)        জ্বর নিয়ে বাংলাদেশে এসে হাসপাতালে দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক (জাতীয়)      

বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু হচ্ছে কাল

Logo Missing
প্রকাশিত: 02:05:16 am, 2020-01-16 |  দেখা হয়েছে: 1 বার।

আ.জা. ডেক্স:

টঙ্গীর তুরাগ তীরে পূর্ব নির্ধারিত ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব মাওলানা সাদ কান্ধলভির অনুসারীদের আয়োজনে আগামীকাল শুক্রবার বাদ ফজর আম বয়ানের মাধ্যমে শুরু হবে। ইতোমধ্যে মাঠের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েগেছে। ময়দানে আসতে শুরু করেছেন মুসল্লিরা। বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের কার্যক্রম চালানোর জন্য ময়দানের দায়িত্বও বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্টদের। সোমবার রাতে গাজীপুর জেলা প্রশাসক কর্তৃপক্ষের কাছে ময়দানের মাইক, লাইট, সামিয়ানার চটসহ যাবতীয় মালামাল বুঝিয়ে দেওয়া হয়। ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের সমন্বয়কারী হাজি মো. মনির হোসেন বিষয়গুলো নিশ্চিত করেছেন। দ্বিতীয় পর্বের জন্য ইজতেমার ময়দান প্রস্তুত করতে সিটি কর্পোরেশন, স্থানীয় প্রশাসন ও তাবলিগের সাথীরা পুরোদমে এ কাজ চালিয়ে যান। ময়দানের নিচুস্থানে বালি ফেলা হয়, ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও চারপাশে ব্লিচিং পাউডার ছিটানো হয়। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে ময়দানে নতুন করে ৫০০ ট্রাক বালি ফেলে উঁচু করা হচ্ছে। দ্বিতীয় পর্বের মুসল্লিদের সুবিধার্থে ইজতেমার পুরো ময়দানে ৮০০ ড্রাম ব্লিচিং পাউডার ছিটানো হচ্ছে। দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমার সমন্বয়ক হাজি মুনির হোসেন জানান, দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমায় রেকর্ডসংখ্যক দেশি-বিদেশি মুসল্লি অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। শুক্রবার বাদ ফজর আম বয়ানের মাধ্যমে ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু হবে। ১৯ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে ২০২০ সালের বিশ্ব ইজতেমা।

ইতোমধ্যে নজমের জামাতের হাজার হাজার জিম্মাদার সারাদেশ থেকে গত মঙ্গলবার রাতেই ইজতেমা ময়দানে প্রবেশ করেছেন। নজমের জামাতগুলোর মধ্যে রয়েছেন- সকল জেলা, মহানগর ও ঢাকা শহরের খিত্তার জামাত। মসজিদওয়ার খুটির জামাত। তাশকিলের জামাত। জুড়নেওয়ালী জামাত। পাহাড়ার জামাত। মিম্বরের জামাত। মুকাব্বিরের জামাত। ইস্তেকবালী জামাত। মাসআলা হলের জামাত। খোমতের জামাত। ফরেন (বিদেশি) জিম্মাদারদের জামাত। পানি ব্যবস্থাপনার জামাত। মাইক ব্যবস্থাপনার জামাত। বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার জামাত। সাফাইর (পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার) জামাত। এসব জামাতের উদ্দেশ্যে এখন চলছে জরুরি মোজাকারা। ভারতের নিজামুদ্দিন মারকাজের পরিচালয়না ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে নিজামুদ্দিন থেকে তাবলিগের প্রবীণ আলেম ও শীর্ষ মুরব্বিদের অনেকেই অংশগ্রহণ করবেন। বাংলাদেশে আসার পর ভারতসহ বিদেশি সব মেহমানদের হজরত শাহজালাল রহ. আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কাকরাইল মসজিদে নিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। ইজতেমা শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত তারা কাকরাইল মারকাজ মসজিদে অবস্থান করবেন। নিজামুদ্দিন মারকাজের মুরুব্বি মাওলানা সাদ কান্ধলভি যাদের পরামর্শে ও সহযোগিতায় টঙ্গীর তুরাগ তীরে দ্বিতীয় পর্বে ইজতেমা আয়োজন করছেন। তাদের মধ্যে বিশ্ব ইজতেমায় অংশগ্রহণকারী আলেম ও মুরব্বিরা হলেন- মাওলানা আবদুস সাত্তার। মাওলানা জামশেদ। মাওলানা শামীম আজমি। মাওলানা চেরাগ উদ্দীন। মুফতি শাহজাদ কাসেমি। মাওলানা রিয়াসাত আলি বিজনুরি। মুফতি আসাদুল্লাহ সুলতানপুরি। মাওলানা সালমান বিজনূরি। মাওলানা সাদ কাসেমি, মুম্বাই। মাওলানা আলি ক্বাদের নদভি, ভুপাল। মাওলানা শাফি মাজহারি, বেঙ্গল। মাওলানা আবদুল্লাহ ঝানঝানি। মাওলানা বিলাল, কর্নাটক। মাওলানা হাশেম গুজরাটি। মাওলানা আবদুর রহমান কাসেমি। এসব আলেমদের সঙ্গে তাদের সফরসঙ্গীরাসহ আরও অনেকে টঙ্গীর ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে অংশগ্রহণ করবেন।

এ ছাড়াও ভারতের নিজামুদ্দিন মারকাজের তাবলিগের প্রবীণ সাথী ও ওলামাদের সঙ্গে যাঁরা আসছেন তারা হলেন- ভাই ইক্ববাল হাফীজ, ভূপাল। ভাই মুরসালীন, দিল্লি। ভাই ত্বারীক নাদীম, মুরাদাবাদ। ভাই নূর মুহাম্মদ, মুম্বাই। ক্বারী সাইফুল্লাহ সাহেব, দিল্লি। ভাই হেদায়াতুল্লাহ, কর্ণাটক। ভাই ইলিয়াস, ভূপাল। মাওলানা আহমাদ। ভাই আফযাল, পাঞ্জাব। ভাই ফারূক, পাঞ্জাব। ভাই যাওয়াদ, মীরাঠ। ভাই ইরফান, রাজস্থান। ভাই নাসীম, মুজাফফর নগর। ভাই মুসা কালিম, বেঙ্গল এবং ভাই সাদিক, বেঙ্গল। উল্লেখ্য যে, বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য একমাস আগে থেকে ভারতের নিজামুদ্দিনসহ অন্যান্য অঞ্চল থেকে তাবলিগের ৬৪টি জামাত বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় মেহনত করে আসছেন বলে জানা যায়।