ঢাকা   ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০ | ৭ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  সরিষাবাড়ীতে গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত (জামালপুরের খবর)        বকশিগঞ্জ শিক্ষার্থীবিহীন দুস্থ্য প্রতিবন্ধী কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র : ৯ প্রতিবন্ধীর শিক্ষাবৃত্তি (জামালপুরের খবর)        শেরপুরে আখেরী মুনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বিশ্ব জাকের মঞ্জিলের উরশ (জেলার খবর)        শ্রীবরদীতে বৈদেশিক কর্মসংস্থান সচেতনতা শীর্ষক প্রচার, প্রেস ব্রিফিং ও সেমিনার অনুষ্ঠিত (জেলার খবর)        একনেকে ১৩ হাজার ৬৩৯ কোটি ব্যয়ে ৯ প্রকল্প অনুমোদন (জাতীয়)        পানির দাম ৮০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব অযৌক্তিক: টিআইবি (জাতীয়)        চীনকে মাস্ক-গ্লাভসসহ চিকিৎসা সামগ্রী দিল বাংলাদেশ (জাতীয়)        কচুরিপানা খেতে বলিনি, গবেষণা করতে বলেছি: পরিকল্পনামন্ত্রী (জাতীয়)        দেশে করোনা ভাইরাসের রোগী মেলেনি, আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ (জাতীয়)        শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ দ্বিতীয়: সেনাপ্রধান (জাতীয়)      

সরকার আদালতকে নির্দেশ দিতে পারে না: ওবায়দুল কাদের

Logo Missing
প্রকাশিত: 12:13:28 am, 2020-01-21 |  দেখা হয়েছে: 1 বার।

আ.জা.ডেক্সঃ

দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদকসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিসহ জামিন হওয়ার পুরো প্রক্রিয়াটি আইনিভাবেই হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, প্রথম আলোর সম্পাদকের গ্রেফতারি পরোয়ানার বিষয়ে সরকারের মধ্যে কোনও আলোচনা হয়নি। সরকার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেনি, করেছেন আদালত। পুরো বিষয়টি আদালতের নির্দেশনায় হয়েছে। আর সরকার তো আদালতকে নির্দেশ দিতে পারে না। গতকাল সোমবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের দাবি করেন, একটি ঘটনা ঘটেছে, ঘটনার প্রেক্ষিতে মামলা হয়েছে, মামলার পর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে, পরে আসামিরা জামিন নিয়েছেন। সবই তো আদালতের বিষয়। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ১ নভেম্বর বিকেলে রেসিডেনসিয়াল কলেজ ক্যাম্পাসে একটি অনুষ্ঠান চলাকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায় নাঈমুল আবরার। ঘটনার পরদিন আবরারের বাবা মজিবুর রহমান মোহাম্মদপুর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা এবং ৬ নভেম্বর অবহেলাজনিত কারণ উল্লেখ করে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম আমিনুল হকের আদালতে আরও একটি মামলা করেন। ১৬ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবদুল আলীম ১০ জনকে আসামি করে প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম কায়সারুল ইসলাম প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান ও সহযোগী সম্পাদক আনিসুল হকসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আবেদন জানালে গতকাল সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানকে চার সপ্তাহের জামিন দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এ মামলায় পুলিশ প্রতিবেদন না হওয়া পর্যন্ত আনিসুল হক, শাহ পরান তুষার, মহিতুল আলম পাভেল, শুভাশিষ প্রামাণিক শুভ ও কবির বকুলকে কোনোরকম গ্রেফতার বা হয়রানি না করারও নির্দেশ দেন আদালত। বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ জামিন আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিয়ে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে ভোট চাইছেন। অথচ দলের সাধারণ সম্পাদক হয়েও নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিতে পারছেন ওবায়দুল কাদের। এজন্য মনঃকষ্টে আছেন বলে জানান তিনি। আসন্ন ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জাতীয় পার্টির অবস্থানের বিষয়ে জানতে চাইলে কাদের বলেন, আমরা তো কারোর সমর্থন চাইনি। তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার আছে তারা দাঁড়িয়েছে। তাদের পোস্টার-টোস্টার রাস্তায় তো অনেক বেশি দেখি। খুব সুন্দর পোশাক পরিহিত পোস্টারও দেখি। কথাও হয়তো বলেন, কিন্তু আপনারা সাংবাদিকরা হয়তো খুব গুরুত্ব দিচ্ছেন না। না দিলে আমরা কী করব। মিডিয়া যদি গুরুত্ব না দেয় আমাদের তো কিছু করার নেই। তিনি বলেন, তারা (জাতীয় পার্টি) কি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে কোনো অভিযোগ তুলেছেন? আমার তো মনে হয়, না। অভিযোগ আনার মতো কিছু হয়নি। নির্বাচনে সব দলের জন্য কি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হয়েছে-এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমার নিজেরই অভিযোগ রয়েছে। বিএনপির সেক্রেটারি জেনারেল আজকে প্রচারণা চালাচ্ছেন, আমি আওয়ামী লীগের জেনারেল সেক্রেটারি পারছি না। তা হলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড কোথায় হলো-এটা প্রশ্ন আমার। আপনারাই তো সংসদে এ বিষয়ে আরপিও (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ) চেঞ্জ করেছেন-এ কথার পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সংসদের কথাটা বলতে গেলে নানান কথা আসে। পৃথিবীর কোনো উন্নত গণতান্ত্রিক দেশে স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে মন্ত্রী-এমপিরা ক্যাম্পেইন করতে পারে না-এ রকম বিধান নেই। আমাদের এখানে এটা কেন হলো তা তো জানি না। তারা (নির্বাচন কমিশন) এটা কেনই বা রাখছেন তা-ও জানিনা। কাদের বলেন, আমি সেক্রেটারি জেনারেল। আরেকটা পার্টির সেক্রেটারি জেনারেল ক্যাম্পেইন করবে আমার প্রধান প্রতিপক্ষ দলের, কিন্তু আমি আজকে ক্যাম্পেইন করতে পারছি না। ভোট চাওয়ার কোনো ক্যাম্পেইনেও অংশ নিতে পারছি না। আমি আমাদের নির্বাচনি অফিসগুলোতে পর্যন্ত যাইনি। আমি নিয়ম মেনে চলছি। তাহলে কি এ আরপিও সংশোধন করবেন-জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেটা ভবিষ্যতে দেখা যাবে। এখন নির্বাচনটা হয়ে যাক। এখন এ নির্বাচনে এটার পরির্বতনের দাবি তুলছি না। এ বিষয়ে আপনার কি মনঃকষ্ট রয়েছে-জানতে চাইলে সেতুমন্ত্রী বলেন, আমার তো একটু কষ্ট আছে। আমি নিয়ম মেনে চলছি। যতক্ষণ নিয়ম আছে মেনে চলব। পরেরটা পরে দেখা যাবে। বিএনপিকে ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যর্থ বিরোধী দল উল্লেখ করে কাদের বলেন, বিএনপি নালিশ পার্টিতে পরিণত হয়েছে। সারাদেশে ধানের শীষের গণজোয়ারের কথা বলা হলেও তা একটি দিবাস্বপ্ন। ১ তারিখ বোঝা যাবে, গণজোয়ার ধানের শীষের নাকি নৌকার? নির্বাচনের ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা (বিএনপি) কারচুপির অভিযোগ করবে, এটি তাদের পুরোনো অভ্যাস। এসময় ‘ভোটে কারচুপি হলে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হবে’, মির্জা আব্বাসের এমন মন্তব্যের বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, মির্জা আব্বাসের মনে কি আছে, ত াকি আমি জানি? সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি, অথচ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সিটি নির্বাচনে তাদের প্রার্থী নিয়ে কোনও মন্তব্য বা বক্তব্য নেই, তা হলে কি তাদের প্রার্থীকে আমলে নেওয়া হচ্ছে না, এমন প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, জাতীয় পার্টির প্রার্থীর পোস্টার রাস্তা-ঘাটে দেখেছি। অনেক সুন্দর চেহারার, দামি পোশাক পরা প্রার্থীর পোস্টার আমি দেখি। তবে কথাবার্তা কখন-কোথায় বলেন, তাতো দেখি বা শুনি না। তা হলে হয়তো সাংবাদিকরাই তার কথা আমলে নেন না, সংবাদ করেন না। অপর এক প্রশ্নের উত্তরে কাদের বলেন, বেশকিছু সড়ক ফোর লেনে উন্নীত করা হচ্ছে। যেসব রাস্তা ফোর লেন হয়নি সেগুলো পর্যায়ক্রমে ফোর লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।