ঢাকা   ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০ | ৭ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  সরিষাবাড়ীতে গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত (জামালপুরের খবর)        বকশিগঞ্জ শিক্ষার্থীবিহীন দুস্থ্য প্রতিবন্ধী কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র : ৯ প্রতিবন্ধীর শিক্ষাবৃত্তি (জামালপুরের খবর)        শেরপুরে আখেরী মুনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বিশ্ব জাকের মঞ্জিলের উরশ (জেলার খবর)        শ্রীবরদীতে বৈদেশিক কর্মসংস্থান সচেতনতা শীর্ষক প্রচার, প্রেস ব্রিফিং ও সেমিনার অনুষ্ঠিত (জেলার খবর)        একনেকে ১৩ হাজার ৬৩৯ কোটি ব্যয়ে ৯ প্রকল্প অনুমোদন (জাতীয়)        পানির দাম ৮০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব অযৌক্তিক: টিআইবি (জাতীয়)        চীনকে মাস্ক-গ্লাভসসহ চিকিৎসা সামগ্রী দিল বাংলাদেশ (জাতীয়)        কচুরিপানা খেতে বলিনি, গবেষণা করতে বলেছি: পরিকল্পনামন্ত্রী (জাতীয়)        দেশে করোনা ভাইরাসের রোগী মেলেনি, আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ (জাতীয়)        শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ দ্বিতীয়: সেনাপ্রধান (জাতীয়)      

প্রথম থেকে অষ্টম গ্রেডের নিয়োগেও কোটা থাকছে না

Logo Missing
প্রকাশিত: 01:17:02 am, 2020-01-21 |  দেখা হয়েছে: 1 বার।

আ.জা. ডেক্স:

সরকারি চাকরিতে অষ্টম থেকে উপরের দিকে (১ম-৮ম) সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রেও কোটা পদ্ধতি থাকবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নন ক্যাডার অষ্টম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা বণ্টন পদ্ধতি সংক্রান্ত পরিপত্র সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গতকাল সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুমোদনের ফলে সরকারি চাকরিতে প্রথম শ্রেণিতে সরাসরি নিয়োগে ৯ম থেকে ১৩তম গ্রেডের মতো প্রথম থেকে অষ্টম গ্রেডের চাকরির নিয়োগেও কোনো কোটা থাকবে না। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধতি বাতিল করে পরিপত্র জারি করে। এতে বলা হয়েছিল- ৯ম গ্রেড (আগের প্রথম শ্রেণি) এবং ১০ম থেকে ১৩ম গ্রেডের (আগের দ্বিতীয় শ্রেণি) পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদান করা হবে। ৯ম গ্রেড (আগের প্রথম শ্রেণি) এবং ১০ম থেকে ১৩ম গ্রেডের (আগের দ্বিতীয় শ্রেণি) পদে সরকারি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হয়।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, কোটা বাতিলের পরিপত্রে নবম গ্রেড যেহেতু প্রথম শ্রেণি, নবম গ্রেডে যখন নিয়োগ হবে সেখানে কোটা পদ্ধতি থাকবে না বলে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু পিএসসিতে (সরকারি কর্ম কমিশন) কিছু কিছু নিয়োগ হচ্ছে যেগুলো ১০ম, ১১তম গ্রেডে। পিএসসি সে কারণে জনপ্রশাসনের কাছে স্পষ্টীকরণ চেয়েছে- পরিপত্রে প্রথম শ্রেণি এবং ৯ম গ্রেড উল্লেখ করা আছে। তা হলে ১০ম বা ১১তম বা ১২তম গ্রেডে যদি কখনও নিয়োগ দিতে হয় তা হলে কী হবে? মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত দিয়েছে- নবম থেকে উপরের দিকে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধতি থাকবে না। গত ৩ ফেব্রুয়ারি পিএসসি থেকে নন-ক্যাডার ৮ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ করা হবে, নাকি আগের কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে-এ বিষয়টি স্পষ্টীকরণের জন্য অনুরোধ করা হয়। কোটা বাতিলের পরিপত্রে ৯ম গ্রেড (আগের প্রথম শ্রেণি) এবং ১০ম থেকে ১৩ম গ্রেডের (আগের দ্বিতীয় শ্রেণি) পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হলেও আগের ১ম শ্রেণিভুক্ত ৮ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা বণ্টন পদ্ধতি কী হবে সে বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো নির্দেশনা নেই। পিএসসি থেকে ৯ম গ্রেড এবং ১০ম থেকে ১৩তম গ্রেড ছাড়াও ৮ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কোনো কোনো পদে সরাসরি নিয়োগ করা হয়ে থাকে। জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ এ শ্রেণির পরিবর্তে গ্রেড উল্লেখ করা হয়েছে এবং আগের ১ম শ্রেণির পদ বলতে ৯ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের পদকে বোঝানো হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে ৯ম গ্রেড এর স্থলে ৯ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেড উল্লেখ করে পরিপত্রটির সংশোধন প্রয়োজন বলে প্রস্তাব করে।

মন্ত্রিসভার শেষ ৩ মাসের বৈঠকে সিদ্ধান্ত ৯৭, বাস্তবায়ন ৭৩টির: গত বছর মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষ প্রান্তিক বা শেষ তিন মাসে (অক্টোবর-নভেম্বর-ডিসেম্বর) বৈঠক হয়েছে ৯টি। বৈঠকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ হয়েছে ৯৭টি এবং বাস্তবায়ন হয়েছে ৭৩টি। অর্থাৎ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার শতকরা হিসেবে ৭৫.২৬ শতাংশ। আর বাস্তবায়নাধীন সিদ্ধান্ত রয়েছে ২৪টি। শতকরা ২৪.৭৪ শতাংশ বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, মন্ত্রিসভার বৈঠকে দু’টি নীত এ কর্ম কৌশলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক হয়েছে ৫টি। এ ছাড়া সংসদে আইন পাস হয়েছে তিনটি।

আকাশ পথে দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণের পরিমাণ বাড়ছে: আকাশ পথে ভ্রমণ দুর্ঘটনা বা লাগেজ হারিয়ে গেলে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ বাড়ছে। গতকাল সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন হয়েছে। খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আকাশ পথে পরিবহন (মন্ট্রিল কনভেনশন) আইন ২০২০-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ আইনের কার্যকর হলে আকাশ পথে দুর্ঘটনায় মৃত্যু, আঘাত এবং লাগেজ হারিয়ে গলে যাত্রীদের ক্ষতিপূরণের পরিমাণ বাড়বে। বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হলে বর্তমানে ক্ষতিপূরণে পরিমাণ ২০ লাখ ৩৭ হাজার ৬০০ টাকা। নতুন খসড়ায় বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে ১ কোটি ১৭ লাখ ৬২ হাজার ৩৩৪ টাকা ক্ষতিপূরণের বিধান রাখা হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) ২০২০ আইনের খসড়া, আয়োডিনযুক্ত লবণ আইন ২০২০ এর খসড়া, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ আইন ২০১৯ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন হয়েছে। এছাড়া ৬ এপ্রিল আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবসের পাশাপাশি জাতীয় ক্রীড়া দিবস উদযাপনের অনুমোদন এবং নন ক্যাডার অষ্টম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা বণ্টন পদ্ধতি স্পষ্টীকরণের লক্ষ্যে এ সংক্রান্ত পরিপত্র সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।