ঢাকা   ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০ | ১৪ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  ৭ মার্চ জাতীয় দিবস ঘোষণার নির্দেশ হাইকোর্টের (জাতীয়)        অনৈতিক সম্পর্কে বাধ্য করানোয় স্বামীকে হত্যা করে প্রতিশোধ (অপরাধ)        প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই পাপিয়া গ্রেফতার: ওবায়দুল কাদের (অপরাধ)        প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন ১৭২ শিক্ষার্থী (শিক্ষা)        পিলখানা ট্র্যাজেডি: নিহতদের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা (জাতীয়)        বিরোধী দলকে হয়রানি ও ক্ষমতাসীনদের প্রতি নমনীয় দুদক: টিআইবি (বাংলাদেশ)        নিরাপদ খাদ্য আইন মেনে চলতে সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি (বাংলাদেশ)        এনু-রুপনের আরেক বাড়িতে অভিযান, পাঁচ সিন্দুক থেকে ২৬ কোটি টাকা উদ্ধার (জাতীয়)        পিলখানা হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত করবে বিএনপি: ফখরুল (রাজনীতি)        জ্বর নিয়ে বাংলাদেশে এসে হাসপাতালে দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক (জাতীয়)      

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংশোধন আইন ২০২০ এর খসড়া অনুমোদন

Logo Missing
প্রকাশিত: 10:35:59 pm, 2020-02-10 |  দেখা হয়েছে: 1 বার।

আ.জা.ডেক্সঃ

জেলা জজের অধীন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সব মামলার বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। বিচারক স্বল্পতা এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে এসব মামলার জন্য ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হচ্ছে না। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংশোধন আইন ২০২০ এর খসড়ায় এসব কথা বলা হয়েছে। গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠক বিষয়ে জানাতে সচিবালয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সংস্কার ও সমন্বয়) শেখ মুজিবুর রহমান এসব তথ্য জানান। এই আইনের সংশোধনের কারণে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত এক লাখ ৭৫ হাজার মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে সহায়ক হবে বলে জানান তিনি। তবে ট্রাইব্যুনালের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও কেন পিছিয়ে আসা হলো, এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. তরুণ কান্তি সিকদার জানান, বিচারক স্বল্পতার কারণেই মূলত ট্রাইব্যুনাল গঠন না করে জেলা জজের অধীনে একাধিক বিচারিক আদালতে মামলা পরিচালনা করা হবে। তিনি আরও জানান, ট্রাইব্যুনালে বিচার হলে আপিলের জন্য সরাসরি হাইকোর্ট আসতে হতো। এখন জজ কোর্টের অধীন আদালতগুলোতে বিচারপ্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। এতে মামলা নিষ্পত্তির বিষয়ে সময়ক্ষেপণ হবে না। ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন আইন-২০২০ এর নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই আইনের সফল প্রয়োগে পর্যটন শিল্প বিকাশ, বেকারত্ব দূর, আয় বৃদ্ধি হবে বলে জানানো হয়। আইনের বলে, পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান হবেন একজন সচিব পদের কর্মকর্তা।

এদিকে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় যুব ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গতকাল সোমবার তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে যুব ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানানো হয় বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) শেখ মুজিবুর রহমান জানিয়েছেন। ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্টে ভারতকে হারিয়ে যুব টাইগাররা বিজয়ী হওয়ায় মন্ত্রিসভার বৈঠকে তাদের অভিনন্দন জানানো হয়। আইসিসি অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সকল পর্বে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল অসাধারণ নৈপুণ্য ও বিজয়ের মাধ্যমে একটি পরিপূর্ণ সুসংহত দল হিসেবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছে। এ বিজয় বাংলাদেশকে একটি গৌরবময় এক স্থানে নিয়ে গেছে। সচিব মুজিবুর বলেন, মুজিববর্ষের সূচনালগ্নে নতুন প্রজন্মের বিশ্বকাপ জয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা বির্নিমানে এক অনন্য সংযোজন, এক অসাধারণ অর্জন। মন্ত্রিসভা কমিটি মনে করে, এ অর্জন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকারের ক্রীড়া উন্নয়নে গৃহীত ক্রীড়া উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচির ফলপ্রসূতার পরিচায়ক। মন্ত্রিসভা এ-ও আশা করে যে প্রথমবারের মত এ অর্জন অনুর্ধ্ব ১৯ দলকে আরও দৃঢ় প্রত্যয়ী করে তুলবে এবং ভবিষতে আরও ভালো ফল আনার ক্ষেত্রে উদ্দীপনা জোগাবে। নিরলস অনুশীলনের মাধ্যমে অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল একই ধারাবাহিকতায় কাঙিাক্ষত ফলাফল অর্জন করে জাতিকে গৌরবান্বিত করবে বলেও মন্ত্রিসভা আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।

জাতির বৃহত্তর স্বার্থে চীন থেকে আর কাউকে আনা হচ্ছে না: নভেল করোনা ভাইরাসের (এনসিওভি) সংক্রমণের হাত থেকে মুক্ত থাকতে জাতির বৃহত্তর স্বার্থে চীন থেকে আর কাউকে আনা হচ্ছে না বলে জানিয়েছে সরকার। শেখ মুজিবুর রহমান বলেন, করোনা ভাইরাস নিয়ে ইনফরমালি যতটুকু কথা হয়েছে তাতে আপাতত চীনে আমাদের যারা আছেন, তাদের আনার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে একটা দাবি উঠেছে। পরবর্তীতে বিভিন্নভাবে যাচাই-বাছাই করে দেখা গেছে যে, তারা যে যুক্তিগুলো দিয়েছে যেমন- খাবারের অভাব, সাপোর্ট পাচ্ছেন না, আসলে তাদের খাবার-দাবারের কোনো অভাব নেই। বরং তাদের সব সাপোর্ট দেওয়া হচ্ছে। তাই এ মুহূর্তে তাদের আনার কোনো জাস্টিফিকেশন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা ইতোমধ্যে যে চ্যালেঞ্জ- যে বিশেষ বিমানে নিয়ে আসলাম, সেই বিমান এবং বিমানের ক্রু-পাইলট অন্যদেশ এক্সেপ্ট করছে না। তাই আমাদের এ মুহূর্তে পরবর্তী যে লট সেটা আনার জন্য কোনো তরফ থেকে জাস্টিফিকেশন আসেনি। তার কারণে আপাতত সেটা হচ্ছে না, ফর দ্যা গ্রেটার ইন্টারেস্ট অব দ্য নেশন।