ঢাকা   ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০ | ১৪ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  ৭ মার্চ জাতীয় দিবস ঘোষণার নির্দেশ হাইকোর্টের (জাতীয়)        অনৈতিক সম্পর্কে বাধ্য করানোয় স্বামীকে হত্যা করে প্রতিশোধ (অপরাধ)        প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই পাপিয়া গ্রেফতার: ওবায়দুল কাদের (অপরাধ)        প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন ১৭২ শিক্ষার্থী (শিক্ষা)        পিলখানা ট্র্যাজেডি: নিহতদের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা (জাতীয়)        বিরোধী দলকে হয়রানি ও ক্ষমতাসীনদের প্রতি নমনীয় দুদক: টিআইবি (বাংলাদেশ)        নিরাপদ খাদ্য আইন মেনে চলতে সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি (বাংলাদেশ)        এনু-রুপনের আরেক বাড়িতে অভিযান, পাঁচ সিন্দুক থেকে ২৬ কোটি টাকা উদ্ধার (জাতীয়)        পিলখানা হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত করবে বিএনপি: ফখরুল (রাজনীতি)        জ্বর নিয়ে বাংলাদেশে এসে হাসপাতালে দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক (জাতীয়)      

ভালোবাসা দিবসে বইমেলায় উপচে পড়া ভিড়

Logo Missing
প্রকাশিত: 11:06:56 pm, 2020-02-14 |  দেখা হয়েছে: 1 বার।

আ.জা.ডেক্সঃ

সাপ্তাহিক ছুটির দিন, সঙ্গে ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন আর ভালোবাসা দিবস। বইমেলার ১৩তম দিনে এসে সবকিছু দেখা দিল একসঙ্গে। এমন দিনে কী করে ঘরে বসে থাকে বিনোদন আর বইপ্রেমীরা। তাই তো বিকেলে গেট খুলতে না খুলতেই তরুণ-তরুণী, যুবক-যুবতিসহ নানা বয়সীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে বইমেলা প্রাঙ্গণ। মূলত বিকেল ৪টার পর মেলা প্রাঙ্গণে একপ্রকার জনতার ঢল নামে। ¯্রােতের মতো মেলা প্রাঙ্গণে আসতে থাকেন রাজধানী ও আশপাশের বাসিন্দারা। নানা বয়সের নারী-পুরুষের সেই ¯্রােত দেখতে দেখতে জনসমুদ্রে পরিণত হয়। এমনকি একদিকে শাহবাগ মোড়, অন্যদিকে দোয়েল চত্বর পর্যন্ত সম্পূর্ণ রাস্তা লোকে লোকারণ্য হয়ে পড়ে। এদিন বিনোদন আর বইপ্রেমীদের ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে, মেলা প্রাঙ্গণের পাশাপাশি রাস্তাতেও মানুষের স্বাভাবিক চলাচল বিঘœ ঘটছিল। অনেক ক্ষেত্রেই একজনের সঙ্গে আর একজনের ধাক্কাধাক্কি করে চলতে হচ্ছিল। মেলা প্রাঙ্গণে আসাদের বড় অংশই ছিল তরুণ-তরুণী। যাদের বড় অংশই বাসন্তি রঙের শাড়ি আর মাথায় ফুলের রিং পরে মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন। ভালোবাসা আর বসন্তের নানা সাজে বইমেলা প্রাঙ্গণ মাতোয়ারা করে রাখেন তারা। মেলায় অংশগ্রহণকারীদের মতে, এবারের মেলায় আজই সব থেকে বেশি মানুষের সমাগম ঘটেছে। তাদের হিসাবে বিকেল ৫টার মধ্যেই মেলা প্রাঙ্গণে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটে। মেলা প্রাঙ্গণে এমন ঢল নামায় বিক্রিও বেড়েছে স্টলগুলোর। জোনাকী প্রকাশনীর স্টল থেকে সোহেল রানা বললেন, এবারের মেলায় আজ সব থেকে বেশি মানুষ এসেছে। সাপ্তাহিক ছুটি, ভালোবাসা দিবস ও পহেলা ফাল্গুন একদিনে হওয়ায় মানুষের এই ঢল। তবে মেলায় যে হারে জনসমাগম হয়েছে বিক্রি সে হারে হয়নি। এবার মানুষ মেলায় বই কেনার চেয়ে ঘোরাঘুরি করতেই যেন বেশি আসছেন। তবে গত ১২ দিনের তুলনায় আজ ভালো বিক্রি হয়েছে। মেলায় সাদা টুপি আর পাঞ্জাবি পরে আসা খায়রুল নামের একজন বলেন, আমরা ৭ বন্ধু মিলে একসঙ্গে মেলায় এসেছি। বায়তুল মোকাররম মসজিদে জুমার নামাজ পড়ে বইমেলায় আসলাম। ইসলামের ওপর লেখা কিছু বই কিনব। সেই সঙ্গে মেলায় বন্ধুরা মিলে কিছু সময় ঘোরাঘুরি করব। তিনি আরও বললেন, মেলার পরিবেশ আমাদের কাছে খুব ভালো লাগছে। মেলার ভেতরে যথেষ্ট খোলামেলা পরিবেশ রয়েছে। যাত্রাবাড়ী থেকে বইমেলায় এসেছেন নবদম্পতি জুয়েল-মিতালি। তারা বলেন, বুদ্ধি হওয়ার (বড় হওয়ার পর) পর সাপ্তাহিক ছুটি, ভালোবাসা দিবস, পহেলা ফাল্গুন সব কিছুই একসঙ্গে এই প্রথম পেলাম। এমন দিনে ঘরে বসে থাকা যায় না। তাই জীবনটাকে আর একটু রাঙিয়ে নিতে দুজন মিলে ঘুরতে বেড়িয়েছি। সকালে চারুকলা, রমনাপার্কে ঘোরাঘুরি করেছি। দুপুরে শাহবাগে খেয়ে বইমেলায় এসেছি। মেলায় ঘুরে ঘুরে পছন্দের কিছু বই কেনার ইচ্ছে আছে। বাড্ডা থেকে আসা রাইমা বলেন, এবারের বইমেলার পরিবেশ খুব ভালো লাগছে। বিশেষ করে লেকের পাড়টা মেলার ভেতরে হওয়ায় খুব ভালো হয়েছে। হাঁটাহাঁটি করে একটু ক্লান্তিবোধ হলেই লেকের পাড়ে দাঁড়ালে মনে এক ধরনের প্রশান্তি আসছে। আমার কাছে এই পরিবেশ অসাধারণ লাগছে। মেলার দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে বেশ কিছু জায়গা খালি পড়ে থাকতে দেখা যায়। অবশ্য এই খালি জায়গাতেও দেখা যায় উপচেপড়া ভিড়। মেলায় ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত হয়ে পড়াদের একটি অংশ এই স্থানটির ঘাসের ওপর বসে বিশ্রাম নেন।