ঢাকা   ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০ | ১৪ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  ৭ মার্চ জাতীয় দিবস ঘোষণার নির্দেশ হাইকোর্টের (জাতীয়)        অনৈতিক সম্পর্কে বাধ্য করানোয় স্বামীকে হত্যা করে প্রতিশোধ (অপরাধ)        প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই পাপিয়া গ্রেফতার: ওবায়দুল কাদের (অপরাধ)        প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন ১৭২ শিক্ষার্থী (শিক্ষা)        পিলখানা ট্র্যাজেডি: নিহতদের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা (জাতীয়)        বিরোধী দলকে হয়রানি ও ক্ষমতাসীনদের প্রতি নমনীয় দুদক: টিআইবি (বাংলাদেশ)        নিরাপদ খাদ্য আইন মেনে চলতে সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি (বাংলাদেশ)        এনু-রুপনের আরেক বাড়িতে অভিযান, পাঁচ সিন্দুক থেকে ২৬ কোটি টাকা উদ্ধার (জাতীয়)        পিলখানা হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত করবে বিএনপি: ফখরুল (রাজনীতি)        জ্বর নিয়ে বাংলাদেশে এসে হাসপাতালে দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক (জাতীয়)      

দিল্লিতে পরাজয়ের কারণ ‘অতিকথন’ বললেন অমিত শাহ

Logo Missing
প্রকাশিত: 12:22:42 am, 2020-02-15 |  দেখা হয়েছে: 5 বার।

আ.জা. আন্তর্জাতিক:

দিল্লিতে কেজরিওয়ালের কাছে বিজেপি ধরাশায়ী হওয়ার দুইদিন পর প্রকাশ্য বেরিয়েছেন অমিত শাহ। হার মেনে নিয়ে বলেন, দিল্লির ভোট মূল্যায়নে তার ভুল হয়েছিল। একই সঙ্গে স্বীকার করেন, দেশকে গদ্দারকো, গোলি মারো শালো কো বা দিল্লি ভোট ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বিজেপি নেতাদের এ ধরনের অতিকথন উচিত হয়নি। তবে পরাজয়ে সিএএ এর কোনো সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেন তিনি। অমিতসহ বিজেপির সব নেতা জানতেন, দিল্লির মাঠ এবার তৈরি ছিল অরবিন্দ কেজরিওয়ালের পক্ষে। কিন্তু নরেন্দ্র মোদি, রাজনাথ সিংহ, জগৎপ্রকাশ নড্ডাদের সঙ্গে বৈঠকে অমিত শাহই ভরসা দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, দিল্লি বের করে নেবেন। এজন্য মেরুকরণই হবে প্রধান অস্ত্র। তখনই স্থির হয়, শাহিন বাগই হবে প্রধান প্রতিপক্ষ। প্রচারে নেমে অমিত বলেছিলেন, ইভিএমের বোতাম এত জোরে টিপুন যেন শাহিন বাগে কারেন্ট লাগে। বিজেপির অনুরাগ ঠাকুর, কপিল মিশ্ররাও মেতে উঠেছিলেন বিতর্কিত মন্তব্যে। শাহিন বাগের বিক্ষোভকারীদের টার্গেট করে বিজেপি সংসদ সদস্য প্রবেশ বর্মা বলেছিলেন, তারা নাকি ধর্ষণ করতে পারেন। দিল্লিতে জিততে অমিত শাহ আয়োজন করেছিলেন পাঁচ হাজারের বেশি সভা। শত শত বিজেপি নেতা ছুটেছেন দিল্লির অলিতে-গলিতে। অমিত শাহ নিজেও দুই ডজনের বেশি সভা করেছেন। নেতাদের উস্কানিমূলক মন্তব্য সম্পর্কে শাহ বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে লাঠিপেটা করা নিয়ে রাহুল গান্ধির মন্তব্যের মতো বিজেপি নেতাদের বক্তব্যও দুর্ভাগ্যজনক। উচিত হয়নি। দল তখনই দূরত্ব তৈরি করেছে। হতে পারে এরও খেসারত দিতে হয়েছে ভোটে।