ঢাকা   বৃহস্পতিবার ১৭ জানুয়ারী ২০১৯ | ৪ মাঘ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  পরাজয়ের বেদনা ভুলতে ভোট নিয়ে প্রশ্ন: ওবায়দুল কাদের (রাজনীতি)        ফের বিক্ষোভে পোশাক শ্রমিকরা (বিবিধ)         প্রবাসীদের এনআইডি দিতে ইসির উদ্যোগ (প্রবাসীদের কথা)        শেখ হাসিনা, রেহানার নামের ফেসবুক পেজ ভুয়া: আ. লীগ (বাংলাদেশ)        কক্সবাজারের ইয়াবা কারবারিদের আত্মসমর্পণ করতে বললেন বদি (জেলার খবর)        এত বড় ব্যবধানের জয় কখনোই কারচুপির মাধ্যমে আদায় করা সম্ভব না: জয় (রাজনীতি)        ওষুধের মান রক্ষায় সারাদেশে ৬টি নতুন মিনি ল্যাব প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ (বিবিধ)        দেশে আমদানি বাড়লেও বাড়ছে না শুল্ক আদায় (অর্থনীতি )        নির্বাচনী ইশতেহার পালন করাই চ্যালেঞ্জ, মন্ত্রীসভার শপথের পর কাদের (রাজনীতি)        যা পেয়েছি তাতেই শুকুর আলহামদুলিল্লাহ: তোফায়েল (রাজনীতি)      

বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশী শ্রমিকদের দেশে ফেরা বাড়ছে

Logo Missing
প্রকাশিত: 09:11:29 pm, 2018-10-25 |  দেখা হয়েছে: 1 বার।

আজ ডেক্সঃ বিভিন্ন দেশ থেকে চলতি বছর দল বেঁধে বাংলাদেশী শ্রমিকদেও দেশে ফেরত পাঠানোর ঘটনা বেশি ঘটছে। মূলত সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের শ্রমবাজারে অস্থিরতা বাড়ার কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সৌদি আরবে নিজস্ব লোকদের বিভিন্ন খাতে চাকরি দেয়ার জন্য বিদেশি শ্রমিকদের দেশটি থেকে বের করে দেয়ার ঘটনা বেড়েছে। লিবিয়াসহ বিভিন্ন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে শ্রমিকদের জন্য কাজের ক্ষেত্র সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে। ফলে বাংলাদেশী শ্রমিকদের দেশে ফেরত আসার ঘটনাও বাড়ছে। পাশাপাশি দালাল চক্রের মাধ্যমে অভিবাসী শ্রমিকদের ইউরোপে অবৈধভাবে প্রবেশের ঘটনাও বেড়েছে। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ডেস্কের হিসাব চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, লিবিয়া, লেবাননসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ৪৯ হাজার ৩৭০ জন (নারী ও পুরুষ) শ্রমিক ফেরত এসেছে। আর বিগত ২০১৬ সালে ৪১ হাজার ৬২৬ জন এবং গতবছর ৫০ হাজার ১৪৮ জন বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরত আসে। প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, সরকারের জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) হিসাব অনুযায়ী ১৯৭৬ সাল থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কাজের জন্য ১ কোটি ২ লাখ ২০ হাজার শ্রমিক (নারীসহ) গেছে। ওই শ্রমিকদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৩ লাখ ৩৫ হাজার ১১২ দশমিক ৭২ কোটি টাকা। তবে সরকারের ওই সংস্থা ওয়েবসাইটে মোট কত শ্রমিক ফেরত আসছে বা এসেছে, তার কোনো তথ্য নেই। সৌদি আরবের রিয়াদে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দূতাবাসের নিরাপদ আশ্রয়ে ছিল ১ হাজার ৯১৭ জন নারী গৃহকর্মী। তাছাড়া ডিপোর্টেশন সেন্টার থেকে ১২ হাজার ৬৭০ জন কর্মীকে দেশে প্রত্যাবাসনে সহায়তা করা হয়। সৌদি আরবের জেদ্দায় শ্রম আদালতে মামলার মাধ্যমে ১ হাজার ৩১ জন কর্মীর বকেয়া বেতন–ভাতা আদায় করা হয়েছে। শুধু এ অর্থবছরে সৌদি আরব, কাতার, মালদ্বীপ, দুবাইসহ বিভিন্ন দেশের কারাগারে বিভিন্ন অপরাধে আটক ছিল ৫ হাজারের বেশি শ্রমিক। আর বিভিন্ন দেশে ২ হাজার ৮৯৭ জন শ্রমিক মারা গেছে। সূত্র জানায়, দালালের খপ্পরে পড়ে অনেক বাংলাদেশী শ্রমিকের বৈধ কাগজ থাকার পরও তাদের খালি হাতে দেশে ফিরতে হচ্ছে। কিন্তু মন্ত্রণালয় শ্রমিকদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার জন্য বসে আছে। যে শ্রমিকেরা বিভিন্ন কারণে দেশে ফিরতে বাধ্য হচ্ছে, তাদের পুনর্বাসনের জন্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত তেমন কোনো কার্যক্রম নেয়া হয়নি। তবে ফেরত আসা শ্রমিকদের খাদ্য, বাড়ি পাঠানোসহ বিভিন্নভাবে সহায়তা দিচ্ছে বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক। ওই সংস্থাটি তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত সৌদি আরব থেকে ৪০৮ জন, লিবিয়া থেকে ২২৪ জন, সিরিয়া থেকে ৯ জন এবং ইরাক থেকে ৪ জনসহ মোট ৭২৫ জন পুরুষ শ্রমিক দেশে ফিরেছে। এদিকে বাংলাদেশী শ্রমিকদের দেশে ফেরত আসা প্রসঙ্গে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নুরুল ইসলাম জানান, বিভিন্ন দেশ থেকে শ্রমিকদের ফেরত আমার বিষয়টি সরকারেরও নজরে এসেছে। শ্রমিকরা মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করলে তখন জানা যাবে কেন তারা দেশে ফিরছে।