ঢাকা   শুক্রবার ০৫ জুন ২০২০ | ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  জামালপুরে ৬শ অসহায় পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ (জামালপুরের খবর)        জামালপুরবাসীর স্বাস্থ্যসেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিতে চাই: আশরাফুল ইসলাম বুলবুল (জামালপুরের খবর)        করোনা দুর্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানুষের সমস্যা নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন-মির্জা আজম এমপি (জামালপুরের খবর)        গন্তব্যে পৌছবে কি ছানুর নৌকা (জামালপুরের খবর)        বেতন ও বোনাসের টাকায় ঈদ সামগ্রী নিয়ে দেড়শ মধ্যবিত্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন কিরন আলী (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে ভাগ্য বিড়ম্বিত শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ। (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে তরুনদের সহায়তায় দুইশত পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ (জামালপুরের খবর)        ময়মনসিংহে ৩শ দরিদ্র পরিবারের মাঝে সেনা প্রধানের ঈদ উপহার পৌঁছে দিলেন আর্টডক সদস্যরা (ময়মনসিংহ)        করোনা যোদ্ধা নার্সিং সুপারভাইজার শেফালী দাস শ্বাসকষ্টে মারা গেছেন (ময়মনসিংহ)        বিদ্যানদীর মত সকল সামাজিক সংগঠন যদি এই দুর্যোগের সময়ে এগিয়ে আসে তবে সরকারের উপর চাপ অনেকংশে কমে যাবে -মির্জা আজম এমপি (জামালপুরের খবর)      

চীনে বাড়ছে উপসর্গহীন করোনা রোগী

Logo Missing
প্রকাশিত: 12:24:25 am, 2020-04-07 |  দেখা হয়েছে: 14 বার।

আ.জা. আন্তর্জাতিক:

চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান থেকে ছড়িয়ে মহামারিতে রূপ নিয়েছে করোনা ভাইরাস রোগ বা কোভিড-১৯। রোগটি চীন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসলেও বাড়ছে উপসর্গহীন রোগীর সংখ্যা। সোমবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানায়। রোববার (০৫ এপ্রিল) চীনের মূল ভূখন্ডে নতুন করে ৩৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ ছাড়া দেশটির জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (এনএইচসি) জানায়, রোববার ৭৮ জন উপসর্গহীন রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। আগের দিন এ সংখ্যা ছিল ৪৭। এ ধরনের রোগী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেও তাদের শরীরে কোনো উপসর্গ দেখা যায় না এবং নিজের অজান্তেই তারা অন্যান্যের সংক্রমিত করেন। বিদেশ থেকে আসা আক্রান্ত ব্যক্তি এবং উপসর্গহীন রোগীদের মোকাবিলা করাই এখন চীনের মাথা ব্যথার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এক সংবাদ সম্মেলনে এনএইচসির মুখপাত্র মি ফেং বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে আক্রান্ত রোগী আসার ঝুঁকি বাড়ছে। তবে নতুন করে ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব যেন না হয় এজন্য সতর্ক থাকতে হবে চীনকে। এদিকে উপসর্গহীন যেসব রোগী শনাক্ত হয়েছেন, তাদের প্রায় অর্ধেকই হুবেই প্রদেশের। চীনের মূল ভূখন্ডে এমন ৭০৫ জন রোগী পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। কেবল গত সপ্তাহ থেকে উপসর্গহীন রোগীর সংখ্যা প্রকাশ করতে শুরু করেছে চীন। জানুয়ারির মাসের শেষদিকে লকডাউন করা উহান শহর থেকে যারা বাইরে যেতে চান, আগামী ৮ এপ্রিল থেকে তারা সে সুযোগ পাবেন। এমন সময় উপসর্গহীন রোগী বাড়ায় নতুন উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

চীনে এখন পর্যন্ত ৮১ হাজার ৭০৮ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং মারা গেছেন ৩ হাজার ৩১৮ জন। বিশ্বজুড়ে রোগটি ছড়িয়ে পড়ায় বিদেশি নাগরিকদের জন্য সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে চীন। তবে বিদেশ থেকে আসা রোগীরা বেশিরভাগই চীনা নাগরিক। ১ এপ্রিল থেকে বিদেশ থেকে আসা সবার করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করতে শুরু করেছে চীন।