ঢাকা   সোমবার ০১ জুন ২০২০ | ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  জামালপুরে ৬শ অসহায় পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ (জামালপুরের খবর)        জামালপুরবাসীর স্বাস্থ্যসেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিতে চাই: আশরাফুল ইসলাম বুলবুল (জামালপুরের খবর)        করোনা দুর্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানুষের সমস্যা নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন-মির্জা আজম এমপি (জামালপুরের খবর)        গন্তব্যে পৌছবে কি ছানুর নৌকা (জামালপুরের খবর)        বেতন ও বোনাসের টাকায় ঈদ সামগ্রী নিয়ে দেড়শ মধ্যবিত্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন কিরন আলী (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে ভাগ্য বিড়ম্বিত শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ। (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে তরুনদের সহায়তায় দুইশত পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ (জামালপুরের খবর)        ময়মনসিংহে ৩শ দরিদ্র পরিবারের মাঝে সেনা প্রধানের ঈদ উপহার পৌঁছে দিলেন আর্টডক সদস্যরা (ময়মনসিংহ)        করোনা যোদ্ধা নার্সিং সুপারভাইজার শেফালী দাস শ্বাসকষ্টে মারা গেছেন (ময়মনসিংহ)        বিদ্যানদীর মত সকল সামাজিক সংগঠন যদি এই দুর্যোগের সময়ে এগিয়ে আসে তবে সরকারের উপর চাপ অনেকংশে কমে যাবে -মির্জা আজম এমপি (জামালপুরের খবর)      

শেরপুরে ত্রাণ চাইতে গিয়ে পৌর কাউন্সিলের বিরুদ্ধে নির্যাতনের শিকারের অভিযোগ!

Logo Missing
প্রকাশিত: 11:33:33 am, 2020-04-08 |  দেখা হয়েছে: 6 বার।

শেরপুর প্রতিনিধি:

শেরপুর পৌর সভার ৫ নং ওয়ার্ডের চাপাতলী মধ্যপাড়া মহল্লার রিক্সা চালক লিটনের স্ত্রী আসমা বেগম নামে এক ব্র্যাক কর্মী ত্রাণের জন্য ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মাসুদ রানার কাছে গিয়ে নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে ওই মহিলার বিরুদ্ধে উল্টো মোবাইল চুরির অভিযোগ দিয়েছে পৌর কাউন্সিলর মাসুদ রানা।

এলাকাবাসী ও অভিযোগকারী আসমা বেগম জানায়, আসমার স্বামী শহরে রিক্সা চালায় এবং সে পার্শ্ববর্তী ব্র্যাকের সেলাইলে কাজ করে। সম্প্রতি করোনা সতর্কতার কারণে তার কাজ এবং তার স্বামীর রিক্সা চালানো কাজ বন্ধ রয়েছে। ফলে বেশ কয়েকদিন যাবত খাদ্য সংকটে থাকায় বিভিন্ন লোকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে কিছু না পেয়ে অবশেষে ৬ এপ্রিল সোমবার বিকেলে খরমপুরস্থ ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মাসুদ রানার বাড়িতে যায় ত্রাণের জন্য। এসময় বাড়ির ভিতর থেকে প্রথতে রানার ভাই জুয়েল এসে আসমা কে কাউন্সিলর নেই বলে চলে যেতে বলে। কিন্তু আসমা অনেক অনুরোধ করতে থাকে কিছু চালের জন্য। এক পার্যায়ে কাউন্সিলর নিজে এসে বলেন, আমরা কোন ত্রাণ পাইনি তাই আমার পক্ষে কিছু দেয়া সম্ভব নয়। এক পর্যায়ে আসমা রানাকে গালমন্দ শুরু করলে রানা ও তার ভাই আসমাকে মারধর করে টেনে হিছড়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয়।

এদিকে এ অভিযোগের বিষয়ে কাউন্সিলর রানা জানায়, মহিলাকে মারপিট তো দুরের কথা গায়েই হাত দেয়া হয়নি। সে আমার বাড়িতে ঢুকে প্রথমে ত্রাণ চেয়ে না পেয়ে আমার ঘরের জানালা দিয়ে বিছানার উপর রাখা দুটি মোবাইল চুরি করে নিয়ে যাবার সময় আমি দেখে ফেলি এবং তখন তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেই।

এ ব্যপারে শহর ফাঁড়ি’র এসআই ফজলু জানায়, আমি অন্য একটি কাজ শেষে ওই পথে ফাঁড়িতে যাবার সময় ওই মহিলা আমার কাছে কান্নাকাটি করে বিচার দিলে কাউন্সিলের সাথে এবং প্রত্যক্ষদর্শী বেশ কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানতে পারি মহিলাটি ত্রাণ নিতে এসে না পেয়ে কাউন্সিলরকে গালিগালাজ করে। পরে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। কিন্তু মোবাইল চুরি ব্যাপারে কাউন্সিলর কোন অভিযোগ করেনি। এছাড়া এব্যপারে লিখিত কোন অভিযোগও দেয়া হয়নি।