ঢাকা   শুক্রবার ০৫ জুন ২০২০ | ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  জামালপুরে ৬শ অসহায় পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ (জামালপুরের খবর)        জামালপুরবাসীর স্বাস্থ্যসেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিতে চাই: আশরাফুল ইসলাম বুলবুল (জামালপুরের খবর)        করোনা দুর্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানুষের সমস্যা নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন-মির্জা আজম এমপি (জামালপুরের খবর)        গন্তব্যে পৌছবে কি ছানুর নৌকা (জামালপুরের খবর)        বেতন ও বোনাসের টাকায় ঈদ সামগ্রী নিয়ে দেড়শ মধ্যবিত্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন কিরন আলী (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে ভাগ্য বিড়ম্বিত শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ। (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে তরুনদের সহায়তায় দুইশত পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ (জামালপুরের খবর)        ময়মনসিংহে ৩শ দরিদ্র পরিবারের মাঝে সেনা প্রধানের ঈদ উপহার পৌঁছে দিলেন আর্টডক সদস্যরা (ময়মনসিংহ)        করোনা যোদ্ধা নার্সিং সুপারভাইজার শেফালী দাস শ্বাসকষ্টে মারা গেছেন (ময়মনসিংহ)        বিদ্যানদীর মত সকল সামাজিক সংগঠন যদি এই দুর্যোগের সময়ে এগিয়ে আসে তবে সরকারের উপর চাপ অনেকংশে কমে যাবে -মির্জা আজম এমপি (জামালপুরের খবর)      

ঘোর অনিশ্চয়তায় সংগীতাঙ্গন

Logo Missing
প্রকাশিত: 03:55:29 am, 2020-05-14 |  দেখা হয়েছে: 2 বার।

আ.জা. বিনোদন:

করোনা পরিস্থিতির কারণে গেল মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে এখন পর্যন্ত থমকে আছে সংগীতাঙ্গন। এরইমধ্যে এ ভাইরাসের সংক্রমণে প্রতিদিনই দেশে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে চলছে সাধারণ ছুটি। এমন অবস্থায় দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে দেশ-বিদেশের সব ধরনের কনসার্ট ও শো বাতিল হয়েছে। যার কারণে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন শিল্পীরা। করোনা পরিস্থিতি কবে ঠিক হবে এবং ঠিক হলেও শো আয়োজন কবে নাগাদ হবে সেটা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। শুধু তাই নয়, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে অনেক পরিকল্পনা অডিও কোম্পানি এবং শিল্পীদের থাকলেও তা ভেস্তে গেছে। কোনো গানই প্রকাশ হয়নি দিবসটিকে কেন্দ্র করে। সামনেই রোজার ঈদ। ঈদকে সামনে রেখে গীতিকার, সুরকার, শিল্পী, অডিও কোম্পানিগুলোর প্রতিবারই বড় পরিকল্পনা থাকে৷ কিন্তু করোনার কারণে এবারের ঈদের অডিও বাজার নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। কারণ গানের কাজ অনেকটাই বন্ধ রয়েছে। আগে রেকর্ডকৃত কিছু গান এ ঈদে প্রকাশ পেতে পারে।

এদিকে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার জন্য প্রফেশনাল স্টুডিওর কাজও বন্ধ রয়েছে। যদিও হোম স্টুডিওর বদৌলতে চলতি রমজানে বেশ কিছু শিল্পী প্রকাশ করেছেন ইসলামি গান। এটা তাদের পক্ষেই সম্ভব হয়েছে যাদের বাসাতে রেকর্ডিংয়ের সেটআপ রয়েছে। এদিকে অডিও এবং শো এর মতো করেই চলচ্চিত্রের গানের কাজও বন্ধ রয়েছে। সব মিলিয়ে করোনার এই পরিস্থিতিতে  গীতিকার, সুরকার, সংগীত পরিচালক, শিল্পীরা পড়েছেন ঘোর অনিশ্চয়তায়। এরমধ্যে সরকারও শিল্পী কিংবা সংগীত সংশ্লিষ্টদের জন্য কোনো প্রণোদনা ঘোষণা করেনি। অনেক শিল্পীই সরকারি  প্রণোদনার কথা জানিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে ব্যান্ড তারকা হাসান বলেন, অনেক শিল্পী, মিউজিশিয়ান ও সংগীত সংশ্লিষ্টের অবস্থা এখন ভালো নেই। কারণ কাজ নেই কারো। এমন অবস্থায় সরকারি সহায়তা সংগীতাঙ্গনের জন্য খুবই দরকার। আমি বিশ্বাস করি আমাদের সরকার অন্যান্য সেক্টরের জন্য যেমন প্রণোদনা ঘোষণা করেছে, নিশ্চয়ই সংগীতাঙ্গনের জন্যও করবে। এই খারাপ পরিস্থিতি সব সময় থাকবে না। তবে এই কঠিন সময়ে সহযোগিতা খুব দরকার।

এ নিয়ে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী সামিনা চৌধুরী বলেন, সব কিছুই থমকে আছে। কারো কোনো কাজ নেই এখন। জীবন রক্ষাই বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের অনেক শিল্পী ও মিউজিশিয়ান খারাপ অবস্থায় দিনযাপন করছেন। তারা এ দেশের শিল্প সংস্কৃতির জন্য কাজ করছেন। অন্তত তাদের দিকে যেন সরকার নজর দেয় সেটাই চাওয়া। এ নিয়ে চলতি সময়ের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ইমরান বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে সব বন্ধ হয়ে আছে। এই সময়টা ধৈর্য্য নিয়ে পার করতে হবে। আমি মনে করি আল্লাহর রহমতে এই অবস্থা থাকবে না। তবে এই পরিস্থিতিতে যেন আমরা গানের মানুষেরাই একে অপরের খোঁজ নেই। একে অপরের পাশে যেন দাঁড়াই। শো, গান প্রকাশসহ সব স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে। আমার মনে হয় এই পুরো বছরই লেগে যাবে। তাই অপেক্ষা করতে হবে। আলো নিশ্চয়ই আসবে।