ঢাকা   রবিবার ১২ জুলাই ২০২০ | ২৮ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  বন্যা ও করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করেই জেলার চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের কাজগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে- আবুল কালাম আজাদ (জামালপুরের খবর)        সরিষাবাড়ীতে দুই বৎসর পর হত্যা রহস্য উদঘাটন করল সিআইডি (জামালপুরের খবর)        জামালপুরের বন্যা পরিস্থিতি: নিম্নাঞ্চলে কমছে ধীর গতিতে (জামালপুরের খবর)        অবহেলিত ঘোড়াধাপের রাস্তা-ঘাট সংস্কার করলেন আনছার আলী (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে এক শিশু নারায়গঞ্জ ফেরত এক ব্যক্তিসহ ৭ জনের করোনা শনাক্ত , আক্রান্ত ৬৪৯ (জামালপুরের খবর)        শেরপুরে ঐতিহাসিক কাটাখালি যুদ্ধ দিবসে শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ (জেলার খবর)        শিগগিরই গ্রেফতার হবে রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ: র‌্যাব (জাতীয়)        ভার্চুয়াল আদালত পরিচালনায় সংসদে বিল পাস (জাতীয়)        করোনা নিয়ে প্রতারণা ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে: কাদের (জাতীয়)        আরও ৩৪৮৯ জন করোনায় আক্রান্ত, মৃত্যু ৪৬ জনের (জাতীয়)      

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের লুৎফর রহমান আর নেই

Logo Missing
প্রকাশিত: 11:36:56 am, 2020-06-30 |  দেখা হয়েছে: 6 বার।

আ.জা. স্পোর্টস:

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের খেলোয়াড় লুৎফর রহমান আর নেই। ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর সোমবার সকালে যশোরের লোন অফিসপাড়া বাসভবনে মারা গেছেন দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের এই ফুটবল যোদ্ধা। মরহুমের একমাত্র ছেলে তানভীর রহমান জানান, ৪-৫ দিন ধরে তার বাবার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। কথা বলা ও খাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। অবশেষে সোমবার সকাল পৌনে ৯টায় শেষ হয়ে যায় তার সব লড়াই। লুৎফর রহমানের জন্ম ১৯৫১ সালে। খেলোয়াড়ী জীবনে পারদর্শী ছিলেন ফুটবল ও হকিতে। ১৯৬৫ থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত নিয়মিত খেলেছেন যশোর জেলা ফুটবল দলের হয়ে। ১৯৬৮ সালে পূর্ব পাকিস্তান বোর্ড দলের হয়ে খেলেছেন পশ্চিম পাকিস্তানের সম্মিলিত বোর্ডের বিপক্ষে। ১৯৬৯ সালে লুৎফর যোগ দেন ঢাকা ওয়ারী ক্লাবে। ১৯৭০ সালে এই দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে তিনি কলকাতা গিয়ে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলে যোগ দেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে জনমত তৈরি করতে ভারতের নানা জায়গায় ঘুরে ফুটবল খেলে এই দল। যশোর জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ফুটবলার শফিকউজ্জামান জানান, স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল যে ১৬টি ম্যাচ খেলে, তার প্রতিটিতে ছিলেন লুৎফর। দলের সংগঠকদের একজনও ছিলেন তিনি। মুজিবনগর সরকারের গঠিত বাংলাদেশ ক্রীড়া সমিতির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পান তিনি। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে খেলেছেন জাতীয় দলের হয়ে। ১৯৭৫ সালে তিনি ফুটবল জীবন থেকে অবসর নেন। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে শয্যাশায়ী ছিলেন লুৎফর। গত বছর সরকার থেকে সাহায্যও করা হয়েছিল তাকে। জুলাইয়ে তার স্ত্রী মাজেদা রহমানের হাতে ৫ লাখ টাকার চেক ও ২৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র তুলে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। লুৎফর স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। সোমবার বিকেল চারটায় স্থানীয় সম্মিলনী ইনস্টিটিউশনের মাঠে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদর্শন ও নামাজে জানাজা শেষে মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি যশোর সদর উপজেলার তালবাড়িয়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করার জন্য নেওয়া হয়।