ঢাকা   রবিবার ১২ জুলাই ২০২০ | ২৮ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  বন্যা ও করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করেই জেলার চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের কাজগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে- আবুল কালাম আজাদ (জামালপুরের খবর)        সরিষাবাড়ীতে দুই বৎসর পর হত্যা রহস্য উদঘাটন করল সিআইডি (জামালপুরের খবর)        জামালপুরের বন্যা পরিস্থিতি: নিম্নাঞ্চলে কমছে ধীর গতিতে (জামালপুরের খবর)        অবহেলিত ঘোড়াধাপের রাস্তা-ঘাট সংস্কার করলেন আনছার আলী (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে এক শিশু নারায়গঞ্জ ফেরত এক ব্যক্তিসহ ৭ জনের করোনা শনাক্ত , আক্রান্ত ৬৪৯ (জামালপুরের খবর)        শেরপুরে ঐতিহাসিক কাটাখালি যুদ্ধ দিবসে শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ (জেলার খবর)        শিগগিরই গ্রেফতার হবে রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ: র‌্যাব (জাতীয়)        ভার্চুয়াল আদালত পরিচালনায় সংসদে বিল পাস (জাতীয়)        করোনা নিয়ে প্রতারণা ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে: কাদের (জাতীয়)        আরও ৩৪৮৯ জন করোনায় আক্রান্ত, মৃত্যু ৪৬ জনের (জাতীয়)      

জামালপুর পৌরসভার ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে ১৩২ কোটি ৩৪ লক্ষ ২৪ হাজার টাকার বাজেট ঘোষনা

Logo Missing
প্রকাশিত: 08:02:57 pm, 2020-06-30 |  দেখা হয়েছে: 18 বার।

ষ্টাফ রিপোর্টার:

জামালপুর পৌরসভার মেয়র মির্জা সাখাওয়াতুল আলম মণি বলেছেন, পৌরসভার সীমিত রাজস্ব আয় ও সরকার কর্তৃক প্রদত্ত উন্নয়ন সহায়তা মঞ্জুরি এবং বৈদেশিক সহায়তা পুষ্ট প্রকল্পের মাধ্যমে জামালপুর পৌরসভার উন্নয়ন ও পৌরসেবা প্রদানে আপ্রাণ চেষ্টা করছি। তিনি গত ২৪ জুন পৌর পরিষদের ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের বাজেট ঘোষনা কালে একথা বলেন।

তিনি বাজেট ঘোষনার প্রাক্কালে এক লিখিত বক্তব্যে বলেন, বিসমিল­াহির রাহমানির রাহিম আসসালামু আলাইকুম, সুপ্রিয় সুধীবৃন্দ, বিশ্বব্যাপি করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের এই দুঃসময়ে দেশের এই ক্লান্তিলগ্নে, মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের সুস্থ্য রেখেছেন তার জন্য মহাল আল্লাহর কাছে শুক্রিয়া আদায় করি, আলহামদুলিল্লাহ। বৈশ্যিক করোনাময় দুর্যোগ মুহুর্তে, জামালপুর পৌরসভার ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট বিষয়ক মতবিনিময় সভায় উপস্থিত সম্মানীত সুধীবৃন্দ, পৌর পরিষদের কাউন্সিলরবৃন্দ, অত্র পৌরসভার সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ পৌরবাসীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

হযরত শাহ জামাল (রহ:) আউলিয়ার পুণ্যভূমিখ্যাত জামালপুরকে ১৮৬৯ সালে মিউনিসিপ্যালিটি ঘোষনা করা হয়। ৫৩.২৮ বর্গ কি. মি. আয়তনের দেশের সর্ব বৃহৎ এই পৌরসভায় বর্তমানে প্রায় ৩ লক্ষ লোকের বসবাস। বৃহৎ আয়তনের এই পৌরসভার তৃতীয় মেয়াদে মেয়র হয়ে জনগনের সকল নাগরিক সেবা দোরগোড়ায় পৌছানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি। ক শ্রেণির এই পৌরসভায় বর্তমানে হোল্ডিং সংখ্যা ২২,৭৮৬ টি। আমি ও আমার পৌরপরিষদ পৌরসভার সীমিত রাজস্ব আয় ও সরকার কর্তৃক প্রদত্ত উন্নয়ন সহায়তা মঞ্জুরী এবং বৈদেশিক সহায়তা পুষ্ট প্রকল্পের মাধ্যামে পৌরসভার উন্নয়ন ও পৌরসেবা প্রদানের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছি।

সম্মানিত সুধীজন, বর্তমান পরিষদের সম্ভবত এটাই শেষ বাজেট। মহান আল্লাহর অসীম রহমতে আমার ৩য় মেয়াদের নির্বাচিত সময়ের ৫ম আর্থিক বাজেট হিসাবে ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করছি। আমি নির্বাচিত হয়ে দায়িত্বভার গ্রহন করার পর প্রতি বারের ন্যায় পৌরসভার ব্যয় কমানোর জন্য আমি এবং আমার পরিষদের নির্বাচিত সম্মানীত কাউন্সিলর ও পৌরসভার কর্মকর্তা, কর্মচারীদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে নিত্য প্রয়োজনীয় কাজকর্ম গুলো আয়ের সাথে সংগতি রেখে ব্যয় করার পরামর্শ প্রদান করি। বাজেট উপস্থাপনের পূর্বে আপনাদের সদয় অবগতির জন্য পৌরসভার প্রধান রাজস্ব আয়ের উৎস সম্পর্কে কিছু বলা প্রয়োজন। রাজস্ব আয়ের খাতগুলো হলো- পৌরকর, ট্রেড লাইসেন্স, দোকান ভাড়া, হাট-বাজার ইজারা, নির্মান ফি, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর ফি, বাসষ্ট্যান্ড ইজারা ফি ইত্যাদি। এ সকল খাতসমূহে ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে প্রস্তাবিত আয় ধরা হয়েছে ১৬ কোটি ০৮ লক্ষ ৫৮ হাজার ১২১ টাকা এবং ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩ কোটি ৬৮ লক্ষ ৮১ হাজার টাকা টাকা।

বর্তমান অর্থ বছরে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহন করা সত্বেও করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারনে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য মাত্রা অর্জন করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয় সরকার বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি ৫ (পাঁচ) বছর পরপর নতুন ভাবে কর আরোপ করার নির্দেশনা রয়েছে। তথাপিও পৌরবাসীর সার্বিক দিক বিবেচনা করে অত্র প্রস্তাবিত বাজেটে পৌরকর বৃদ্ধি না করেই ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। সরকার হতে প্রাপ্ত সীমিত বরাদ্দ দ্বারা পৌরসভার উন্নয়ন কর্মকান্ড গ্রহন করা হয়ে থাকে। পৌরসভার নিজস্ব রাজস্ব আয় দ্বারা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতা, সংস্থাপন ব্যয়, বিদ্যুৎ বিল, টেলিফোন বিল, অনুদান ও আনুসাঙ্গিক অন্যান্য ব্যয়ের সংস্থান করে অতি সামান্য অর্থ পৌরসভার উন্নয়ন কাজে যোগান দেয়া সম্ভব হয়। সম্পূর্ন বকেয়া পৌরকর আদায় করা সম্ভব হলে উন্নয়ন মূলক কাজে আরো অধিক অর্থ যোগান দেয়া সম্ভব হতো।

আরো উল্লেখ্য যে, পানি সরবরাহ শাখার প্রস্তাবিত আয় ধরা হয়েছে ৫৪ লক্ষ ৭৯ হাজার ৬২০ টাকা ও ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৩ লক্ষ ১৪ হাজার ৭১০ টাকা। পানির বিল সঠিক ভাবে আদায় না হওয়া, পানির পাম্প ও আই.আর.পি.-র বিদ্যুৎ বিল এবং পাম্প মেরামতসহ অন্যান্য ব্যয় ভার মিটাতে পানি সরবরাহ শাখাকে ভর্তুকির মাধ্যমে পরিচালনা করা হচ্ছে।

প্রিয় পৌরবাসী, বর্তমান সরকারের ডিজিটাল কর্মসূচী বাস্তবায়নের জন্য শুধুই নিয়ন্ত্রানকারী মন্ত্রনালয় হতে প্রাপ্ত বরাদ্দ যথেষ্ট নয়। নতুন পৌর ভবনের জন্য প্রস্তাবিত আয়সহ সরকার কর্তৃক উন্নয়ন সহায়তা তহবিল (এডিপি) এর আয় ধরা হয়েছে ১৪ কোটি ০৩ লক্ষ ৩৬ হাজার ৯৯৯ টাকা এবং ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪ কোটি ০২ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা। সার্বিক জামালপুরের উন্নয়নের রূপকার, সাবেক বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব আলহাজ্ব মির্জা আজম এমপি মহোদয়ের সার্বিক সহযোগীতায় তৃতীয় নগর অবকাঠামো উন্নতিকরন সেক্টর প্রকল্প (টএওওচ-ওওও – ডরহফড়ংি-ই) ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে পৌরসভায় সংযোজিত হয়। এই প্রকল্পে ইতোমধ্যেই ২ টি প্যাকেজে ১৫ কোটি ২৪ লক্ষ ৭৪ হাজার ২৮ টাকা ব্যয়ে ২৭ টি রাস্তা ও ড্রেন নির্মান কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে যার চুড়ান্ত বিল পরিশোধের প্রক্রিয়াধীন। উক্ত প্রকল্পে ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের জন্য ২ কোটি ২০ লক্ষ ৫৮ হাজার ৩৯ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

আপনারা শুনে অত্যন্ত খুশি হবেন যে, আমি দায়িত্বভার গ্রহন করার পর হতে পৌরবাসীর নাগরিক সুবিধা দোরগোড়ায় পৌছানোর লক্ষে সাবেক বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এম.পি. মহোদয়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় অত্র পৌরসভায় সর্বমোট ৬ টি প্রকল্প সংযোজিত হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর-এর আওতায় জামালপুর জেলার ৮টি পৌরসভার ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প, যাহার প্রস্তাবিত আয় ধরা হয়েছে ৮০ কোটি ৮৭ লক্ষ ৩১ হাজার ২৪৬ টাকা এবং ব্যয় ধরা হয়েছে ৮০ কোটি ৮৬ লক্ষ ৭৫ হাজার ২০০ টাকা, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর-এর আওতায় গুরুত্বপূর্ন নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প, যাহার প্রস্তাবিত আয় ধরা হয়েছে ৭ কোটি ৭৭ হাজার ৭০৮ টাকা এবং ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ কোটি ৭২ হাজার টাকা, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর-এর আওতায় ৫৩ জেলা শহর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (কুয়েত প্রকল্প), যাহার প্রস্তাবিত আয় ধরা হয়েছে ৭ কোটি টাকা এবং ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ কোটি ৯৮ লক্ষ ৭৪ হাজার ৭০০ টাকা, এবং ২টি প্রকল্প জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় ০৩ টি পৌরসভায় পানি সরবরাহ ও এনভায়রনমেন্টাল স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নতি করন প্রকল্প, ও ৩৭ জেলা পানি সরবরাহ প্রকল্প চলমান আছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর -এর আওতাধীন প্রকল্পগুলো ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

২০২০-২০২১ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটে পৌরসভার নিজস্ব রাজস্ব আয়সহ বিভিন্ন প্রকল্পের সর্ব মোট প্রস্তাবিত আয় ধরা হয়েছে ১৩২ কোটি ২৩ লক্ষ ৭৪ হাজার ১৫৯ টাকা এবং ব্যয় ধরা হয়েছে ১২৫ কোটি ৯০ লক্ষ ৬২ হাজার ১১০ টাকা। যেহেতু এটা প্রস্তাবিত বাজেট বিবরনী, কোন প্রকার পরিবর্তন, পরিমার্জ প্রয়োজন হলে আলোচনাক্রমে সংশোধন করা যেতে পারে। দেশের ক্রমবর্ধমান উন্নয়নের সাথে তাল মিলিয়ে সাবেক বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এম.পি. ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মোজাফ্ফর হোসেন, মহোদয়ের যৌথ সহযোগীতায় অধীকতর উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহন করতে পারলে ও প্রস্তাবিত বাজেটের অর্থ সময়মতো বরাদ্দ পেলে পৌরবাসীর সেবার মান দ্রæত উন্নয়ন করা যাবে বলে আমার বিশ্বাস।

সম্মানিত পৌরবাসী, আপনারা ইতোমধ্যেই অবগত আছেন যে, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মানবতার জননী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা, শেখ হাসিনা জামালপুর কে উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে উন্নিত করার ঘোষনা দিয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতায় আমাদের পৌর এলাকার উন্নয়ন দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। জামালপুর জেলার তথা দেশের সার্বিক উন্নয়ন চিত্রের সাথে তাল মিলিয়ে, অত্র পৌরসভার উন্নয়ন কর্মকান্ডগুলো জনগনের কাছে তুলে ধরার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রিয় সুধী, আপনারা পৌরসভার নাগরিক, সেবার মান নিশ্চিত করার লক্ষে আমার উপর যে আস্থা ও বিশ্বাস রেখেছেন তা পালনে আমি সর্বদায় সচেষ্ঠ আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো। করোনা ভাইরাসের এই মহামারিতেও আমি, আমার পৌরপরিষদ ও পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে সাধারন জনগনের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছি। আমার পৌরসভার কোন মানুষের যেন না খেয়ে থাকতে না হয় সেই জন্য আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে ও পৌরসভার নিজস্ব তহবিল হতে এবং সরকারী সহায়তা জি.আর.-এর মাধ্যমে পৌরসভার প্রায় ২১ হাজার দুস্থ, নিম্ন আয়ের মানুষ, শ্রমিক, দিন মজুর, প্রতিবন্ধী, বিধবা, কর্মজীবী মানুষের মধ্যে খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছি এবং ও. এম. এস. কর্মসূচীর ১০ টাকা দরে চাউল প্রদানের জন্য প্রতি ওয়ার্ডে ১২০০ জন করে সর্ব মোট ১৪ হাজার ৪০০ জন মানুষের মাঝে চাউল বিতরন চলমান আছে। শিশু খাদ্য হিসাবে সর্বমোট ১৩২০ জন শিশুর জন্য তরল ও পাউডার দুধ বিতরণ করা হয়েছে। পবিত্র ঈদুল ফিরত উপলক্ষে ১৯২ পরিবারের মধ্যে সেমাই ও চিনি বিতরণ করা হয়েছে। দেশের এই ক্লান্তিলগ্নে সরকারী সহায়তার পাশাপাশি পৌরসভার নিজস্ব আয় থেকে খাদ্য সহায়তা চলমান থাকবে। আমি মনে করি করোনা ভাইরাস মোকাবেলা একটি যুদ্ধের ন্যায়, এই যুদ্ধে আপনারা আমার পাশে থেকে সহায়তা করবেন বলে আমার বিশ্বাস। আমি বিশ্বাস করি সম্মানিত পৌরবাসীর সক্রিয় সহযোগীতা এবং আন্তরিকতা পেলে এই শহরের নাগরিক সমস্যাগুলো সমাধান করা আমার পক্ষে সহজ হবে। পৌরসভার উন্নয়ন কল্পে আমার পরিষদের সম্মানিত কাউন্সিলরগন ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দকে পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন কাজে সহযোগীতা করার জন্য আমি কৃতজ্ঞতা জানাই। পৌরবাসীর আশা প্রত্যাশা পুরনের লক্ষে দলমত নির্বিশেষে সকলের সার্বিক সহযোগীতা পেলে মহান সৃষ্টিকর্তার অসীম কৃপায় উন্নয়ন কাজগুলো ত্বরান্বিত করা সহজ হবে।

জামালপুর পৌরসভার মেয়র মির্জা সাখাওয়াতুল আলম মনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, সকলের প্রতি আমার শুভ কামনা রইলো, সকলের সু-স্বাস্থ্য কামনা করে ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট বিষয়ে আলোচনার আহবান রেখে বাজেট উপস্থাপন শেষ করছি। আল্লাহ আমাদের দেশ ও জাতিকে হেফাজত করুন।

আপনারা ঘরে থাকুন, নিরাপদে থাকুন, সুস্থ থাকুন। পৌরবাসীর সেবক হয়ে আমি আপনাদের পাশে আছি। আল্লাহ হাফেজ। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।