ঢাকা   ৩০ মে ২০২০ | ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  জামালপুরে ৬শ অসহায় পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ (জামালপুরের খবর)        জামালপুরবাসীর স্বাস্থ্যসেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিতে চাই: আশরাফুল ইসলাম বুলবুল (জামালপুরের খবর)        করোনা দুর্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানুষের সমস্যা নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন-মির্জা আজম এমপি (জামালপুরের খবর)        গন্তব্যে পৌছবে কি ছানুর নৌকা (জামালপুরের খবর)        বেতন ও বোনাসের টাকায় ঈদ সামগ্রী নিয়ে দেড়শ মধ্যবিত্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন কিরন আলী (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে ভাগ্য বিড়ম্বিত শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ। (জামালপুরের খবর)        জামালপুরে তরুনদের সহায়তায় দুইশত পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ (জামালপুরের খবর)        ময়মনসিংহে ৩শ দরিদ্র পরিবারের মাঝে সেনা প্রধানের ঈদ উপহার পৌঁছে দিলেন আর্টডক সদস্যরা (ময়মনসিংহ)        করোনা যোদ্ধা নার্সিং সুপারভাইজার শেফালী দাস শ্বাসকষ্টে মারা গেছেন (ময়মনসিংহ)        বিদ্যানদীর মত সকল সামাজিক সংগঠন যদি এই দুর্যোগের সময়ে এগিয়ে আসে তবে সরকারের উপর চাপ অনেকংশে কমে যাবে -মির্জা আজম এমপি (জামালপুরের খবর)      

বিদায় হতে হয়নি, অবসর নেওয়াটা আনন্দের: মুহিত

Logo Missing
প্রকাশিত: 07:49:02 pm, 2019-01-07 |  দেখা হয়েছে: 1 বার।

আজ ডেক্সঃ মন্ত্রী পদ থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজেকে ‘সৌভাগ্যবান’ মনে করছেন বিদায়ী অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। নিজে থেকে বিদায় নেওয়াকে ‘সৌভাগ্যের’ মন্তব্য করে তিনি হাসতে হাসতে বলেছেন, সেটাও একদিক দিয়ে ভালো, অবসর না নিয়ে ঝেঁটিয়ে বিদায় হয়ে যাওয়া, সেটার থেকে তো রক্ষা পেয়েছি। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে নিজের শেষ কর্মদিবসে বিদায়ী অনুষ্ঠানে একথা বলেন মুহিত। শেখ হাসিনার সরকারে দুই মেয়াদে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের পর অবসর চাইছিলেন তিনি। এজন্য এবার নির্বাচনও তিনি করেননি। অবশ্য একাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের পরদিন মুহিত বলেছিলেন, শেখ হাসিনা চাইলে আরও কিছু দিন কাজ চালিয়ে যেতে তার আপত্তি নেই। কিন্তু টানা তৃতীয় মেয়াদে যে সরকার শেখ হাসিনা গড়েছেন গতকাল সোমবার, তাতে প্রবীণ সব নেতাকে তিনি বাদ দিয়েছেন। আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদের সঙ্গে বাদ পড়েছেন মতিয়ার চৌধুরীর মতো রাজনীতিকও, যাকে নিয়ে কোনো বিতর্ক গত ১০ বছরে ছিল না। মুহিত বলেন, এটি আমার খুব আনন্দের বিষয়, আমাকে বিদায়-টিদায় করতে হয়নি, আমি নিজে নিজেই বিদায়টা নিয়ে নিয়েছি। সেজন্য আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। আগামী ২৫ জানুয়ারি ৮৫ বছর পূর্ণ করতে যাওয়া মুহিত বলেন, এ বয়সে আল্লাহ আমাকে এমন রেখেছেন যে আমি অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতো একটি জটিল মন্ত্রণালয়ে একটি জটিল দেশে পরিচালনা করেছি। এখন তো আমার অবসর নেওয়ার দরকারই। গত ১০ বছরে বাংলাদেশকে ‘ভিক্ষুকের দেশ’ থেকে উত্তরণ ঘটানোর কৃতিত্ব দাবি করে তিনি বলেন, বিশ্বের কোনো দেশ এখন বাংলাদেশকে ভিক্ষুকের দেশ বলতে সাহস পায় না। দেশকে এ অবস্থায় উত্তরণে আমার অংশগ্রহণ থাকায় নিজেকে ধন্য মনে করছি। আমরা আগামি ৫ বছর ধারাবহিকভাবে তৃতীয়বার ক্ষমতায় থাকছি। আগামি ৫ বছরে দেশে এমন একটি জায়গায় যাবে, যা রোধ করা সম্ভব হবে না। বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী হিসেবে রেকর্ড সংখ্যক ১২টি জাতীয় বাজেট দিয়েছেন মুহিত; সমসংখ্যক বাজেট দিয়েছেন প্রয়াত এম সাইফুর রহমানও। অবসরে বই পড়ে কাটাবেন জানিয়ে সাবেক আমলা মুহিত বলেন, বাংলাদেশের করার কোনো ক্ষেত্রের অভাব নেই। আমার সংগ্রহে ৫০ হাজার বই আছে। সবগুলো পড়া হয়নি, এগুলো পড়বো। আর আমি ৩৪টি বই লিখেছি। এর মধ্যে ১২টি ইংরেজি, আরও বই লিখব। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর শেখ হাসিনা তার সরকারের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বে আনেন মুহিতকে, যিনি এইচ এম এরশাদের সরকারেও দুটি বাজেট দিয়েছিলেন। ২০১৩ সালের জুনে মহাজোট সরকারের পঞ্চম বাজেট উপস্থাপনের আগেও মুহিত বলেছিলেন, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিলেও তিনি আর মন্ত্রী থাকতে চান না। তবে দশম সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগই ক্ষমতায় থাকে, মুহিতও অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থেকে যান। ২০১৮ সালের জুনে আওয়ামী লীগ সরকারের হয়ে নিজের দশম বাজেট ঘোষণা করেন তিনি। শেখ হাসিনা তার নতুন সরকারে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়েছেন কুমিল্লার আ হ ম মুস্তফা কামালকে, যিনি বিদায়ী সরকারে পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্ব সামলে আসছিলেন। পরিকল্পনামন্ত্রী করা হয়েছে গত পাঁচ বছর অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে আসা সাবেক আমলা এম এ মান্নানকে। অর্থ মন্ত্রণালয়ে সোমবারের বিদায়ী অনুষ্ঠানে মান্নান বলেন, সকলের সহযোগিতায় এতদিন দায়িত্ব পালন করেছি। আগামীতেও দায়িত্ব পালন করার জন্য সকলের সহযোগিতা চাই। অনুষ্ঠানে মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, অর্থ সচিব আবদুর রউফ তালুকদারসহ অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।