ঢাকা   মঙ্গলবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ | ৭ ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সর্বশেষ সংবাদ

  জামায়াত আদর্শ ধরে রাখলে পরিবর্তন বলা যাবে না: ওবায়দুল কাদের (রাজনীতি)        ৫৬টি সাইট বন্ধের নির্দেশ, বন্ধ হচ্ছে ১৫ হাজার পর্নো ও ২ হাজার জুয়ার সাইট (বিবিধ)         বাংলাদেশ-সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর (জাতীয়)        ডাকসু: ৬ দফা দাবিতে উপাচার্য কার্যালয় ঘেরাও (রাজনীতি)        ব্যাংকের সংখ্যা নিয়ে চিন্তিত নন অর্থমন্ত্রী (জাতীয়)        নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জে শাবি চ্যাম্পিয়ন (জাতীয়)        দেশজুড়ে অবৈধভাবে চলা বিদ্যুৎচালিত যানবাহনকে বৈধতা দেয়ার উদ্যোগ (জাতীয়)        ডাকসু নির্বাচন, বৃহত্তর ঐক্য করবে বাম ছাত্রসংগঠন (রাজনীতি)        বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত বিশ্বসেরা (জাতীয়)        জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় ধনী দেশগুলোকে ‘সদিচ্ছা’ প্রদর্শনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর (জাতীয়)      

রিজার্ভ চুরির মামলায় এবারও তদন্ত প্রতিবেদন দিতে পারেনি সিআইডি

Logo Missing
প্রকাশিত: 07:34:06 pm, 2019-02-10 |  দেখা হয়েছে: 2 বার।

আজ ডেক্সঃ রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনায় দেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দায়ের করা মামলায় সিআইডি আবারও তদন্ত প্রতিবেদন দিতে ব্যর্থ হওয়ায় পিছিয়ে গেছে তারিখ। তদন্ত প্রতিবেদন জমার জন্য আগামি ১৩ মার্চ নতুন তারিখ পড়েছে। বুধবার সিআইডি প্রতিবেদন না দেওয়ায় ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াসির আহসান চৌধুরী নতুন দিন ঠিক করেন। আদালত পুলিশের কর্মকর্তা এসআই জালাল আহমেদ জানিয়েছেন, এ নিয়ে ৩১ বারের মতো পেছাল প্রতিবেদন জমার সময়। সব শেষ গত ৯ জানুয়ারি একই বিচারক তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ পিছিয়ে ১০ ফেব্রুয়ারি রেখেছিলেন। সাইবার জালিয়াতির মাধ্যমে রিজার্ভের অর্থ চুরির এই ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের যুগ্ম পরিচালক জুবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের করেন। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধনী ২০১৫)-এর ৪ ধারাসহ তথ্য ও প্রযুক্তি আইন, ২০০৬-এর ৫৪ ও ৩৭৯ ধারায় করা মামলায় সরাসরি কাউকে আসামি করা হয়নি। অজ্ঞাত পরিচয়দের আসামি করা এ মামলা তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া সিআইডিকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২০১৬ সালের ১৯ এপ্রিল প্রথমবারের মতো দিন ধার্য করে দিয়েছিল আদালত। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সুইফট সিস্টেমে ভুয়া বার্তা পাঠিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউ ইয়র্কে (ফেড) রাখা বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার সরিয়ে নেওয়া হয় ফিলিপিন্সের রিজল কমার্সিয়াল ব্যাংকে। ওই অর্থ স্থানীয় মুদ্রা পেসোর আকারে চলে যায় তিনটি ক্যাসিনোতে। এর মধ্যে একটি ক্যাসিনোর মালিকের কাছ থেকে দেড় কোটি ডলার উদ্ধার করে ফিলিপিন্স সরকার বাংলাদেশ সরকারকে বুঝিয়ে দিলেও বাকি ছয় কোটি ৬৪ লাখ ডলার উদ্ধারের বিষয়ে তেমন কোনো অগ্রগতি নেই। জুয়ার টেবিলে হাতবদল হয়ে ওই টাকা শেষ পর্যন্ত কোথায় গেছে, তারও কোনো হদিস মেলেনি। ওই অর্থ উদ্ধারে গত ৩১ জানুয়ারি নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটন সাদার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে একটি মামলা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।